গ্যালিলিওর পৃথিবী ও চাঁদ-সূর্যের গতিপথ তত্ত্ব চারশ বছর পর ভুল প্রমাণ করলেন ডঃ বোরহান

১৮২৪পঠিত ...১৫:৫৮, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৭

মানুষ চাঁদে পৌঁছে গেছে আরও পঞ্চাশ বছরের মতো আগে। চাঁদ পেরিয়ে অন্য গ্রহ-উপগ্রহেও বসতি গড়ার পথে পা বাড়িয়েছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের এই জয়জয়কারের সময়েই আরও একটি দুর্দান্ত আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশেরই এক বিজ্ঞানী ডঃ মো. আশরাফুল আলম বোরহান। গ্যালিলিওর চারশ বছর আগেকার আবিষ্কারকে কলাগাছ দেখিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, পৃথিবী নয়, চাঁদ আর সূর্যই পৃথিবীর চারপাশে ঘুরছে!

এই সেই বই, যাতে প্রমাণ করা হয়েছে এই বৈপ্লবিক তত্ত্ব!

চন্দ্র-সূর্যের গতিপথ ছাড়াও সেখানে সাত আসমানের ম্যাপ এবং ফেরেশতাদের পজিশন সংক্রান্ত থিওরিও আছে বলে জানা গেছে। আবিষ্কারের ঘোষণা যে শুধু দিয়েছেন এমনটি কিন্তু নয়, সারা বিশ্বকে একটি 'বিশ্ব চ্যালেঞ্জ'ও দিয়েছেন প্রচার বিমুখ এই জ্যোতির্বিজ্ঞানী তিনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্ভবত অনাগত এই চ্যালেঞ্জকেই এতদিন ধরে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ বলা হয়ে আসছিলো। এই আবিষ্কারের মাধ্যমেই এতদিন অন্ধকারে থাকা বিজ্ঞান আলোর রেখা খুঁজে পেলো বলেও জানিয়েছেন কয়েকজন শীর্ষ পদার্থবিদ।

চন্দ্র সূর্যের নতুন গতিপথ আবিষ্কার করে শুধু এই গ্রহেই নয়, অন্যান্য গ্রহেও হইচই ফেলে দিয়েছেন ডঃ বোরহান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মঙ্গল গ্রহের অধিবাসী টেলিপ্যাথিক ক্ষমতাযোগে জানান, 'আমরা অনেকদিন ধরেই ব্যাপারটি পৃথিবীর মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। ফাইনালি বোরহান সাহেব ব্যাপারটা প্রমাণ করলেন। মেসি যেমন অন্য গ্রহের ফুটবলার, উনিও আসলে অন্য গ্রহের বিজ্ঞানী!

এদিকে সুইডিশ রয়েল সোসাইটিতেও পড়ে গেছে শোরগোল। স্টিফেন হকিংস ফেসবুক লাইভে এসে কমেন্টে লিখেছেন (কথা বলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর!), 'ডঃ বোরহানের এই আবিষ্কার বিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আশা করছি, আগামী বছর নোবেলটা বাংলাদেশের ঘরেই যাচ্ছে!

বৈপ্লবিক এই আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ব্যস্ত বলে জানা যায়। পরে তাঁর মুখপাত্র জানান, 'পৃথিবী অবশ্যই স্থির! না হলে এই যে আমরা দাঁড়ায় আছি, আমাদের মাথা ঘুরাইত না? আরে মিয়া ছোটবেলাত্তে দেখতেছি সূর্য পুবে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়, তারপরেও আপনারা উল্টা কথা কন! সূর্যই যে ঘুরতেছে, এইটা বুঝতে কি অংক করা লাগে নাকি মিয়া?'

তিনি শোনান এই আবিষ্কারের গল্পটিও, 'সূর্য যখন আস্তে আস্তে স্যারের মাথার উপর উঠে আসে তখন উনার মাথায় কেমন চিনচিন ব্যথা করে, আবার যখন নেমে যায় তখন চিনচিন ব্যাথাটাও নেমে যায়। এতেই স্যার ব্যাপারটা জাস্ট ধরে ফেলছেন!'

বিজ্ঞানী বোরহানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না করা গেলেও মুখপাত্র সুত্রে তিনি জানান, আপাতত তিনি নিউটন ও আইনস্টাইনের সূত্রকে ভুল প্রমাণ করা নিয়ে হিসাবে আছেন।'

লেখা: আন্‌ নাসের নাবিল

১৮২৪পঠিত ...১৫:৫৮, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৭

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
    আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

    আইডিয়া

    গল্প

    রম্য

    সাক্ষাৎকারকি

    স্যাটায়ার

    
    Top