এই ১৫টি কৌতুক হাইস্যকর, একেবারে হাইস্যকর

১৯৩২ পঠিত ... ০৪:৩১, মার্চ ১৫, ২০১৯

১#
পোল্যান্ড দখলের পর হিটলার নাকি একবার বুদাপেস্ট শহরে একটি পাগলাগারদ পরিদর্শনে যান। সেখানে সব রোগীকে আগে থেকে শিখিয়ে রাখা হয়েছিল যেন হিটলার ঢোকামাত্রই সবাই একসাথে ‘হেইল হিটলার’ বলে অভিবাদন জানায়।

যেমন শিখিয়ে রাখা তেমনি কাজ। হিটলার আসা মাত্রই লাইন দিয়ে দাঁড়ানো রোগীরা হাত তুলে স্যালুট দিল। হঠাৎ হিটলারের চোখে পড়লো, একজন স্যালুট দেয়নি। হিটলার এগিয়ে গিয়ে বললেন, 'তুমি স্যালুট দিলে না কেন?' সে বললো, ‘স্যার, আমি তো পাগল নই, আমি এই হাসপাতালের ওয়ার্ডেন’।

 


২#
: বয়স্ক লোক আর কম্পিউটারের মধ্যে মিল কোথায়?
: উভয়েরই সবার আগে ফুরিয়ে যায় মেমরি।

 


৩#
এক ভদ্রলোকের কাছে রাজনৈতিক নেতা এসে বললো, তারা বস্তি উচ্ছেদ করে শপিং কমপ্লেক্স বানাতে চায়। এলাকায় উন্নয়ন ঘটাতে চায়। এই কাজে তার সম্মতি আছে কিনা।
ভদ্রলোক বললেন, আমি এ বিষয়ে সম্পূর্ণ একমত।
এর কিছুক্ষণ পর তাদের বিরোধীরা এসে বললো, এই বস্তি উচ্ছ্বেদের মতো ঘৃণ্য কাজ যাতে কেউ না করতে পারে, গরিবে পেটে লাথি না মারতে পারে, সেজন্য তারা সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। তাকে পাশে পাবে কিনা জিজ্ঞেস করলে ভদ্রলোক বললো, আপনাদের সাথে এ বিষয়ে আমি সম্পূর্ণ একমত।
নেতারা চলে গেলে ভদ্রলোকের স্ত্রী বললো, তুমি কি এ্যা! দুই দলের সঙ্গেই তুমি সম্পূর্ণ একমত অথচ দুই দলের মত সম্পূর্ণ ১৮০ ডিগ্রি উলটা। তোমার নিজস্ব মতামত বলে কি কিছু নাই?
ভদ্রলোক গম্ভীরভাবে বললো, এ ব্যাপারে তোমার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

 


৪#
তুর্কি কমিউনিস্ট লেখক পানাইট ইস্ত্রাতি ১৯৩০ এর দিকে সোভিয়েত ভ্রমণে যান। তখন অনেক খুনোখুনি আর অবিচার চলছিলো। সোভিয়েতের পক্ষের একজন লোক তাকে বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন যে, শত্রুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার দরকার আছে। ডিম না ভেঙে তো আপনি অমলেট বানাতে পারবেন না।
ইস্ত্রাতি ছোট্ট জবাব দিলেন, ‘আচ্ছা, অনেক ভাঙা ডিম তো দেখছি। তোমাদের অমলেটগুলো কই?’

 


৫#
গুরুদের রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে একবার দেখা করতে এসেছেন শরৎচন্দ্ৰ। ঘরে ঢুকে শরৎচন্দ্ৰ দেখলেন রবীন্দ্রনাথ কয়েকজন
বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফরাসে জমিয়ে বসে আছেন। শরৎচন্দ্ৰ আস্তে আস্তে ঘরে ঢুকে গুরুদেবকে প্ৰণাম করলেন। রবীন্দ্ৰনাথ
দেখলেন, শরৎচন্দ্রের হাতে কাগজে মোড়া কিছু একটা। রবীন্দ্ৰনাথ শরৎচন্দ্ৰকে জিগ্যেস করলেন, ওহে শরৎ, তোমার
হাতে ওটা কী?
শরৎচন্দ্ৰ হেসে উত্তর দিলেন, গুরুদেব, এটা হচ্ছে পাদুকা পুরাণ।


৬#
কোনো গাছে প্রেমিক-প্রেমিকার নাম খোদাই করা দেখলেই মনে হয়, কত লোকই না চাকু নিয়ে ডেটে যায়!

 


৭#
: সেক্সের ব্যাপারে কোয়ান্টাম ফিজিক্স খুবই দুর্বল
: কেন?
: কারণ ওরা যখন পজিশন খুঁজে পায় তখন মোমেনটাম পায় না... মোমেনটাম পেলে পজিশন পায় না।

 


৮#
—মানুষ ঘুমিয়ে যেটা দেখে সেটা স্বপ্ন নয়
—তাহলে?
—যেটার জন্য মানুষের ঘুমের ব্যাঘাত হয় সেটাই স্বপ্ন।

 


৯#
: খেলায় ওয়াক আউট আর নক আউটের মধ্যে পার্থক্য কী?
: ওয়াক আউট হচ্ছে স্বেচ্ছায় নক আউট আর নক আউট হচ্ছে অনিচ্ছায় ওয়াক আউট!

 


১০#
একটি গাড়ি বীমার বিজ্ঞাপন—
'ঢাকার মোতালেব আজ সকালে একটি গাড়ি দুর্ঘটনার বীমা করেন এবং সন্ধ্যাবেলায় গাড়ি চাপা পড়ে মারা যান। এর জন্য তিনি গাড়ি বীমার প্রায় দশ লাখ টাকা নগদ পান। আপনিও হতে পারেন মোতালেব সাহেবের মতো একজন ভাগ্যবান।'

 


১১#
গ্রীষ্ম কাল। চারদিকে পানির অভাব। একটা কচ্ছপ যাচ্ছে নদীর দিকে। রাস্তায় বকের সাথে দেখা।
বক: শুধু শুধু নদীর দিকে যাচ্ছ। এক ফোঁটা পানি নেই।
কচ্ছপ: আমি যেতে যেতে বর্ষা এসে যাবে।

 


১২#
স্ত্রী : ট্রাফিক সার্জেন্ট তোমার বিরুদ্ধে মামলা করলো কেন?
স্বামী : প্রথমে তো এমনিতেই ছেড়ে দিতে যাচ্ছিল, কিন্তু...
স্ত্রী : কিন্তু? কিন্তু কী?
স্বামী : কিন্তু যখন তোমার মতো লেকচার দিতে শুরু করল তখন হঠাৎ করে অভ্যাস মতো বলে ফেলেছিলাম, ঠিক
বলেছো ডার্লিং।

 

১৩#
: জিরাফের গলা এত লম্বা কেন?
: এর তিনটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে।
: কি রকম?
: প্রথম কারণ হচ্ছে সেই আদিকালে গাছের নিচের দিককার লতাপাতা শেষ হয়ে যাওয়ায় জিরাফরা গলা লম্বা করে পাতা
খাওয়ার চেষ্টা করত এই করতে করতে...
: আর দ্বিতীয় কারণ?
: জিরাফের মধ্যে কারো কারো গলা লম্বা হওয়ায় তারা উঁচু গাছের বেশি বেশি লতাপাতা খেতে পারত। ফলে তারাই বেশি
হৃষ্টপুষ্ট হত, তাদের বংশই টিকে গেল...
: তৃতীয় কারণ?
: তৃতীয় কারণ হচ্ছে জিরাফের মাথাটা তার শরীর থেকে অনেক দূরে তাই।

 


১৪#
প্লেনে করে যাচ্ছিল হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন বক্সার মোহাম্মদ আলী। স্টুয়ার্ট এসে বলল—
: স্যার সিট বেল্টটা বাঁধুন প্লিজ। আলী তখন গর্ব নিয়ে বললেন।
: কোনো সুপার ম্যানের সিট বেল্ট বাঁধতে হয় না।
স্টুয়ার্ট মুচকি হেসে বলল, ‘সুপার ম্যানের প্লেনে চড়েও যেতে হয় না...উড়েই যেতে পারে।’

স্টুয়ার্টের কথা শুনে চিমশে মুখে সিট বেল্ট বাঁধলেন বক্সার মোহাম্মদ আলী।

 


১৫#
এক দর্শক জোসেফ স্টালিনের মায়ের স্ট্যাচুর সামনে দাড়ায়ে মনোযোগ দিয়ে দেখছিলো।
হঠাৎ মৌনতা ভেঙে বললেন, কি দারুণ একজন ভদ্রমহিলা! অথচ কেন যে সময়মতো অ্যাবরশনটা করান নাই!

১৯৩২ পঠিত ... ০৪:৩১, মার্চ ১৫, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top