সৈয়দ মুজতবা আলীর ১০টি সরস বচন

২৬৭৮পঠিত ...১৯:৫৪, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮

জন্ম সিলেটের করিমগঞ্জে, ১৯০৪ সালে। বাবার বদলির চাকরিসূত্রে স্কুলজীবন কেটেছে নানান জায়গায়। এরপরে ১৯২১ সালে ভর্তি হন কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে। বিশ্বভারতীর শুরুর দিককার তুখোড় ছাত্র ছিলেন। খুব সহজেই প্রাঞ্জলতা, চিন্তার উদারতা দিয়ে কবিগুরুর প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন। রবি ঠাকুরের কাছে তার অবাধ যাতায়াত। 

শান্তিনিকেতনে থাকতে শিখেছেন ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান, ফারসি, সংস্কৃত, আরবি, হিন্দি এবং গুজরাটি ভাষা। বিশ্বভারতী থেকে স্নাতক শেষ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়ে ভর্তি হন আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে ১৯২৯ সালে বৃত্তি নিয়ে চলে যান ইউরোপে। বার্লিন এবং বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরও উচ্চশিক্ষা নিয়ে চলে আসেন মিশরে। আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষ করে শিক্ষকতা করতে চলে আসেন কাবুলে। সেখান থেকে বারোদা, বগুড়া, শান্তিনিকেতন ঘুরে শেষ বয়সে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে ফিরে আসেন ঢাকায়। এর মাঝে দেখেছেন দুনিয়ার একটা বড় অংশ।

দেখেছেন এবং দেখিয়েছেন! আলী সাহেবের সরস লেখা আমাদের দেখিয়েছে পৃথিবীর নানান অঞ্চল আর সেসব জায়গায় মানুষজনকে। শুধু যে রসবোধ সম্পন্ন লেখা লিখতেন তেমনটা না কিন্তু। প্রায় দেড় ডজন ভাষায় দক্ষ এই অসাধারণ ব্যক্তিত্বের বাগ্মিতার প্রশংসা করেছেন তার কাছাকাছি আসতে পারা সকল সৌভাগ্যবান মানুষই। কথাচ্ছলে এর-ওর-তার সাথে চমৎকার সব কথা বলতেন আড্ডাপ্রিয় এই মানুষটি। সাদা চোখে শুধু মজার কথা মনে হলেও, সে সব কথায় মিশে থাকত গভীর দর্শনও। আজ ১৩ সেপ্টেম্বর সৈয়দ মুজতবা আলীর ১১৪তম জন্মদিনে eআরকির পাঠকদের জন্য থাকছে মুজতবা আলীর তেমনই কিছু সরস অথচ গভীর কিছু বচন। 

#১


#২


#৩


#৪


#৫


#৬


#৭

#৮

#৯

১০#

২৬৭৮পঠিত ...১৯:৫৪, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
    আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

    আইডিয়া

    কৌতুক

    রম্য

    সঙবাদ

    স্যাটায়ার

    evolution22
    
    Top