যে ৮টি কারণে আপনি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বেন

৪৭৭০ পঠিত ... ২০:৫৪, জানুয়ারি ০৯, ২০১৯

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চান, অথচ যথেষ্ট মোটিভেশন পাচ্ছেন না? eআরকির শিক্ষাবিদরা থাকতে মোটিভেশনের কোনো অভাব হবে না। চলুন, জেনে নিই, কোন আটটি কারণে আপনি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারেন!

 

১# ‘টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার মানেই তো দর্জি’- এ রকম ধারণা এখনো অনেকের মনেই বিদ্যমান। তবে ব্যাপারটিকে নেগেটিভলি দেখার কোন অবকাশ নেই। আপনি যদি হরেক রকমের কায়দা করেও নারীদের মন গলাতে ব্যর্থ হন, তবে এই দর্জি ট্যাগ হতে পারে আপনার জন্য ট্রাম্প কার্ড। ইদের মৌসুমে টেইলারদের চরম অরাজকতার মাঝে আপনার এই ‘দর্জি’ ট্যাগটি প্রকাশ পেয়ে যায়, তবে আপনি আপনার ফোনের জন্য আগেই একটি পাওয়ার ব্যাংক কিনে ফেলুন। কেননা দিনরাত সকল ফ্যাশন সচেতন নারীদের ফোনকল সামলাতেই ফুরিয়ে যাবে আপনার ফোনের চার্জ। তাদের ক্রান্তিকালে আপনি যেভাবে তাদের ত্রানকর্তা হিসেবে এগিয়ে এসেছিলেন, সে কথাটি নিশ্চই সবাই ভুলে যাবে না।

২# আপনি যদি কথায় কথায় ত্যানা প্যাঁচাতে ভালবাসেন, টেক্সটাইলে পড়াশোনা করলে ত্যানার কোন অভাবই হবে না। তখন মনের সুখে আপনি ত্যানা পেঁচিয়ে যাবেন সারাবেলা। খালি হাতে প্যাঁচাতে ক্লান্ত হয়ে গেলে আধুনিক স্পিনিং মেশিনের সহায়তায় ডিজিটালি প্যাঁচাতে পারবেন।

 

৩# আপনি ধোলাই দিতে ভালবাসেন, কিন্তু ইদানিং আইন কানুনের ভয়ে হালকা পিঠ চাপড়ানো ছাড়া কিছু করতে পারছেন না? টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের স্বার্থেই করতে হয় নানা ধরনের ধোলাই বা ওয়াশিং। তাই ওয়াশিং প্ল্যান্টে জয়েন করে দিনরাত ধোলাই দিতে চাইলে বেছে নিন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।

৪# কাপড় বানাতে গিয়ে টেইলারকে ডিজাইন বুঝাতে বুঝাতে ক্লান্ত? ইদের আগে তাদের হাতে আর জিম্মি থাকতে চান না? তবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংই হতে পারে আপনার পারফেক্ট ক্যারিয়ার। গজ কাপড় হাতে পেলে নিজেই বসে পড়তে পারবেন সুইং মেশিনে। নিজের পছন্দের ডিজাইনে যেই জামাটি পড়ার স্বপ্ন ছিলো, সেটি অবশেষে সঠিক মাপে বানিয়ে ফেলতে পারবেন। এলাকার টেইলারের যে দোকানগুলো আপনার অর্ডারগুলোকে নিতান্ত অবহেলায় ‘আগামী সপ্তাহে আসেন’ বলে মাসের পর মাস পেছাতো, তারা আপনার দিকে আকূল নয়নে তাকিয়ে থাকবে। এই সুযোগ তো আর হাতছাড়া করা যায় না!

 

৫# আপনার মনে অনেক রঙ বলে আপনি দাবি করেন, কিন্তু এত রঙ দিয়ে কী করবেন তা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন? টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হলে আপনি আপনার মনের রঙ আর কেমিকেলের রঙ একাকার করে কাপড়ে মাখাতে পারবেন। তবে রঙের মানুষ হিসেবে সেই রঙ ফুরাইলে আপনার ঠুস হয়ে যাবারও সম্ভাবনা কম নয়।

৬# কাপড় কিনতে গেলে আপনাকে হান্ড্রেড পার্সেন্ট সুতি কাপড় বলে খশখশে পলিয়েস্টার কাপড় ধরিয়ে দেয় বলে আপনার মন খারাপ? তাহলে ভর্তি হয়ে যান টেক্সটাইলে। খালি হাতে ধরে কাপড়ের ম্যাটারিয়াল জেনে ফেলতে না জানলেও দুই একটি কঠিন টেক্সটাইলের শব্দ বলে ভড়কে দিতে পারেন দোকানদারকে। সমঝদার লোক বলে আপনাকে ঠকানোর আগে তাকে দুবার ভাবতে হবে।

 

৭# আমি ঘরের হইনি বাহির আমায় টানে- অর্থাৎ আপনার যদি ঘরে ফিরতে অনীহা থাকে, বাইরেই বেশি সময় কাটাতে ভালো লাগে, তবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং আপনার জন্যেই। কাগজে কলমে ৯-৬ টা বলা হলেও কাজের চাপে গড়ে ১২ ঘন্টা অফিসে থাকতেই হবে।

৮# ফ্রি জামাকাপড় চান? টেক্সটাইলে চাকরির সুবাদে সময় অসময়ে ফ্রি স্যাম্পল হাতে আসবেই। তবে বেবি প্রোডাক্টস নিয়ে কাজ করলে সেই স্যাম্পল নতুন অতিথির জন্য রেখে দিতে হবে!

৪৭৭০ পঠিত ... ২০:৫৪, জানুয়ারি ০৯, ২০১৯

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

কৌতুক

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top