সক্রেটিসকে ওয়াসার পানির শরবত খাইয়েই আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছিল

২১৩৫ পঠিত ... ২০:২৬, এপ্রিল ২৩, ২০১৯

এতকাল পর উন্মোচিত হলো দার্শনিক সক্রেটিসের মৃত্যুর পেছনের মূল কারণ। নাস্তিক্যবাদ প্রচারের দায়ে সক্রেটিসকে হেমলক বিষ খাইয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়, এতদিন এটাই জেনে আসছিলো গোটা বিশ্ব। তবে সক্রেটিসের ওই বিষের পেয়ালার ফরেনসিক রিপোর্ট বলছে অন্য কিছু। হেমলক বিষ নয়, ওয়াসার পানির শরবত খাইয়েই আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয় তাকে।

ঢাকার জুরাইনে অবস্থিত 'ওয়াসা ওয়াটার ল্যাব' থেকে পরিচালিত এক গবেষণায় এমনটাই জানা গেছে। সক্রেটিসের সেই বিষের পেয়ালাটি পরীক্ষা করে এতে কিছু দ্রব্য পাওয়া গেছে, যা ওয়াসার পানিতে থাকা ২৫ প্রকারের ব্যাকটেরিয়া, কচুরিপানা এবং ময়লার স্যাম্পলের সাথে হুবহু মিলে যায়। এরপরই ইতিহাসবিদেরা সক্রেটিসের মৃত্যুর কাহিনী নিয়ে নতুন করে ভাবতে বসেছেন।

ধারণা করা যায়, বন্দি থাকা অবস্থায় তার জন্য ওয়াসার পানির শরবত নিয়ে আসা হয়। কিন্তু সক্রেটিস বলেন, 'অন্যের বানানো শরবত আমি খাই না' এবং তা পান করতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর সেটি শরবত নয় বরং 'হেমলক' বিষ, এমন মিথ্যা বলে তা খাওয়ানো হয় সক্রেটিসকে। এরপর যা হওয়ার তাই, ওয়াসার পানি দিয়ে বানানো শরবতের বিষক্রিয়ায় দ্রুততম সময়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ এই দার্শনিক।

তবে এ নিয়েও সৃষ্টি হচ্ছে নানান রকম ত্তত্ত্ব। একজন ইতিহাসবিদের মতে, ওয়াসার পানিতে নয়, সমস্যাটি ছিল ওয়াসার পাইপলাইনে। ওয়াসাপন্থী অন্য এক নৃবিজ্ঞানীর থিওরি মতে, সক্রেটিসের ডায়বেটিস ছিল। ওয়াসার পানি দিয়ে বানানো ওই শরবতে চিনি বেশি হওয়ায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন, পানি ছিল শতভাগ সুপেয়।

এই তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পরই জনপ্রিয় সিনেমা 'হেমলক সোসাইটি'র নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি 'ওয়াসার পানির শরবত সোসাইটি' নামে একটি সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে আত্মহত্যায় ওয়াসার পানির শরবতের ব্যবহার ট্রেন্ডে চলে আসতে পারে, এমন আশঙ্কা করে একজন সমাজবিজ্ঞানী আমাদেরকে তথ্যটা চেপে যেতে অনুরোধ করেন।

 

আরও পড়ুন-

২১৩৫ পঠিত ... ২০:২৬, এপ্রিল ২৩, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি


Top