বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে রঙচঙ করা ফোনের কভার, সানগ্লাস, জুতা ইত্যাদির ৫০+টি নমুনা দেখুন

৫২৯ পঠিত ... ১৯:৫১, মার্চ ১৩, ২০১৯

তাদের নাম 'বিস্কুট ফ্যাক্টরি'। নিশ্চয়ই ভাবছেন তারা রঙ-বেরঙের বিস্কুট তৈরি করেন? রঙ বেরঙের জিনিস তারা ঠিকই বানান, তবে তা বিস্কুট নয়! ফোন কভার, সানগ্লাস, জুতা, হেলমেটসহ যেকোন কিছুকে রংচঙা করে নতুন রূপ দেয়াই তাদের কাজ।


বিস্কুট ফ্যাক্টরি পরিচিতি পেয়েছে তাদের ভিন্ন ধাচের আর্টওয়ার্কের জন্য। দৈনন্দিন ব্যবহার্য নানান পণ্যকে তারা রিকশা পেইন্ট করে বিচিত্র করে তোলেন। বাংলাদেশের রিকশা পেইন্টের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো ঢালিউড বা বাংলা সিনেমা। তাই তাদের আর্টগুলোতে একটু 'ফিল্মি' ছোঁয়াও আছে। মূলত ফোনের কভার, সানগ্লাস আর জুতাতে রিকশা পেইন্ট করার মাধ্যমে ২০১৫ সাল থেকে চালু হয় এই 'ফ্যাক্টরি'। ধীরে ধীরে তাদের ক্যানভাসে ভিন্নতা আসে। বইয়ের প্রচ্ছদ, হেলমেট, গিটার, ইউকেলেলে, ইস্ত্রি, কেটলি, হারিকেন, ট্রাংক কিছুই বাদ রাখেননি তারা। ক্রেতাদের ফরমায়েশে কাস্টমাইজড জিনিসপত্রও বানান তারা, ক্রেতার ছবি, নাম বা পছন্দসই ডায়লগ বসিয়ে দেন তাদের চাহিদামতো।

কিন্তু 'বিস্কুট ফ্যাক্টরি' নামটা কই থেকে আসলো? বোঝা যাবে এর প্রতিষ্ঠাতার নাম জানলে। বিস্কুট ফ্যাক্টরির প্রতিষ্ঠাতার নাম বিস্কুট! বর্তমানে চারজন মিলে চোখ ধাঁধানো রঙের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভিন্নধর্মী সব জিনিস বানিয়ে চলেছেন। সিনেমা আর্ট, রিকশা আর্ট, পপ আর্টসহ ইন্টারন্যাশনাল আর্ট নিয়ে কাজ করে থাকেন তারা। বর্তমানে প্রচলিত ডিজিটাল প্রিন্টের চেয়ে ক্যানভাসে হাতে আঁকানো আর্টওয়ার্কই তারা বেশি পছন্দ করেন।

ঐতিহ্যকে ধরে রেখে রিকশা পেইন্টকে সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে অনেকাংশেই সফল হয়েছে বিস্কুট ফ্যাক্টরি। শৌখিন শিল্পমনাদের কাছে তো বটেই, মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের হাতেও দেখা যায় বিস্কুট ফ্যাক্টরির তৈরি করা ফোন কভার। তার স্মার্টফোনের কভারে দেখা যায় রিকশাচিত্রের নকশা আর তাতে লেখা ‘মায়ের দোয়া’। তিনি নিজেই তাদের কাজ দেখে তিনটি খাপ বানিয়ে নিয়েছিলেন। দেশ ছাপিয়ে দেশের বাইরেও রিকশা পেইন্টকে তুলে ধরেছে বিস্কুট ফ্যাক্টরি।

বিস্কুট ফ্যাক্টরির কাজগুলো দেখতে পারেন ও পছন্দসই কিছু বানিয়ে নিতে পারেন তাদের ফেসবুক পেজে গিয়ে।

 

১#

২#

৩#

৪#

৫#

৬#

 

৭#

 

৮#

 

৯#

 

১০#

 

১১#

 

১২#

 

১৩#

 

১৪#

 

১৫#

 

১৬#

১৭#

 

১৮#

 

১৯#

 

২০#

 

২১#

 

২২#

 

২৩#

 

২৪#

 

২৫#

২৬#

 

২৭#

 

২৮#

 

২৯#

 

৩০#

৩১#

 

৩২#

 

৩৩#

 

৩৪#

 

৩৫#

 

৩৬#

 

৩৭#

 

৩৮#

 

৩৯#

 

৪০#

 

৪১#

 

৪২#

 

৪৩#

 

৪৪#

 

৪৫#

 

৪৬#

 

৪৭#

 

৪৮#

 

৪৯#

 

৫০#

 

৫১#

 

৫২#

৫৩#

৫২৯ পঠিত ... ১৯:৫১, মার্চ ১৩, ২০১৯

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top