মুক্তিযুদ্ধ ও একাত্তরের গণহত্যার নির্মমতা নিয়ে প্রকাশিত ২৩টি ডাকটিকিট

২৬০ পঠিত ... ১৩:৪১, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৯

এক সময়ের যোগাযোগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম ডাক একবিংশ শতাব্দীতে এসে অনেকটাই যেন বিলুপ্তির মুখে। পৃথিবীর উন্নত সব দেশে এখনো ডাক বিভাগ বহাল তবিয়তে রয়ে গেলেও আমাদের দেশে সরকারি এই সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চিঠিপত্র আদান প্রদান করার ব্যাপারটা একেবারেই উঠে গেছে। ডাক বিভাগের সাথে সাথে ডাকটিকেট বিষয়টিও এখন আর আগের মতো গুরুত্ব বহন করে না। ডাকটিকেট শব্দটাই দিন দিন অচেনা ও অব্যবহৃত হচ্ছে।

ডাকবিভাগের মাধ্যমে চিঠিপত্র বা বিভিন্ন ডকুমেন্ট পাঠাতে খামে ডাকটিকিট সেঁটে দিতে হয়। বিভিন্ন মূল্যমানের ডাকটিকিটে নানারকম ছবি ছাপানো থাকে। একেক দেশের ডাকটিকেটে সে দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও গর্বের বিষয় ফুটে উঠে। নতুন প্রজন্মের কাছে খুব গুরুত্ব বহন না করলেও অনেকের কাছেই ডাকটিকিট হয়তো অসংখ্য স্মৃতি ও নস্টালজিয়া নিয়ে হাজির হয়। বাংলাদেশেও ডাকটিকিটে উঠে এসেছে আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর গর্বের বিষয়গুলো। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের সবচেয়ে গর্বের বিষয়টি আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। ডাক বিভাগের প্রকাশিত ডাকটিকিটে অনেকবারই স্মরণ করা হয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামকে।   

২০১৭ সালে বাংলাদেশ ডাকবিভাগ থেকে প্রকাশিত হয় মুক্তিযুদ্ধের পটভুমিতে অনবদ্য কিছু ডাকটিকেট। ‘গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল ৭১টি ডাকটিকিটের একটি অ্যালবাম। প্রতিটি ১০ টাকা সমমূল্যের ডাকটিকিটগুলোয় ছবিতে ছবিতে দেখা যায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের বাংলাদেশি দোসরদের নির্মমতা। ১৯৭১ সালের গণহত্যা, নির্যাতন, নৃশংসতা,  মায়ের যন্ত্রনা ও অভাব, অনিরাপত্তা ও ভয় এবং ভিটেমাটি ছাড়া নিরন্তর এক পথচলা চিত্রিত হয়েছে এসব ডাকটিকিটে।

‘গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ’ অ্যালবামের ২৩টি ডাকটিকিটের ছবি থাকছে eআরকির পাঠকদের জন্য।

 

#১


#২


#৩


#৪


#৫


#৬


#৭


#৮


#৯


#১০


#১১


#১২


#১৩


#১৪


#১৫


#১৬


#১৭


#১৮


#১৯


#২০


#২১


#২২


#২৩

২৬০ পঠিত ... ১৩:৪১, ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০১৯

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top