আফ্রিদির কারণেই আবিষ্কৃত হয়েছে ভিডিও কলিং সিস্টেম

২৬৫ পঠিত ... ২১:১৮, মে ০৫, ২০১৯

পাকিস্তানি ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি এতদিন বিখ্যাত ছিলেন শুধুমাত্র ক্রিকেটে ডাক এবং গোল্ডেন ডাকের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায়। কিন্তু এবারে ভিডিও কল আবিস্কারের সাথে তার নাম জড়িত থাকার ব্যাপারে মুখ খুলেছেন প্রযুক্তিবিদরা।

চিঠি ও টেলিগ্রাফের যুগ পেরিয়ে যখন ফোনে কথা বলার পদ্ধতি আবিষ্কার হয়, তখন একজন কেবলমাত্র অন্য একজনের কণ্ঠই শুনতে পারতো। কথা বলার সময় চেহারা দেখার কোনো উপায় ছিলো না। টেলিফোনের যুগ শেষ হয়ে মোবাইল ফোন আসলেও অপর প্রান্তের মানুষটির চেহারা দেখার কোন সুযোগ ছিল না কখনোই। তবে ধীরে ধীরে সেই ভিডিও দেখার প্রযুক্তিও এসেছে, যাকে সবাই এতদিন প্রযুক্তিবিদদের অবদান হিসেবেই ভেবে এসেছে। তবে এতদিন পর জানা যায়, এই প্রযুক্তির পিছনে আফ্রিদির অবদান অনস্বীকার্য।

যুবক বয়সে শহীদ আফ্রিদি সর্বপ্রথম, ফোনে যে শুধু কণ্ঠ শোনা যথেষ্ট নয়, একে অপরের চেহারা দেখাটাও জরুরি, সেই বিষয়টির প্রয়জনীয়তা অনুধাবন করেছিলেন। নিজের আত্মজীবনী 'গেম চেঞ্জার' বইতে সাবেক এই ক্রিকেটার জানান, একসময় ফোনে এক মেয়ের কন্ঠ শুনে প্রেমে পড়ে যান তিনি। দিন রাত কথা বলা শুরু করেন। বহু টাকা খরচ করেন ঐ মেয়ে কন্ঠের পেছনে। কিন্তু পরে জানতে পারেন কণ্ঠের মালিক আদৌ কোনো মেয়ে না, জ্বলজ্যান্ত এক ছেলে। এতোদিন মেয়ে ভেবে এক ছেলের সাথে প্রেম করেছেন আফ্রিদি।

এই ঘটনাটি আফ্রিদি কাউকে না বললেও কোন এক দৈব উপায়ে জেনে যান প্রযুক্তিবিদরা। এরপরই সারাবিশ্বে ভিডিও কলিং সিস্টেম আবিষ্কারে চেষ্টা শুরু করেন প্রযুক্তিবিদরা। এ বিষয়ে মেসেঞ্জারের তথাকথিত ডিরেক্টর ফ্রান্সিসকো লোপেজ eআরকিকে জানান, 'আর কোনো ছেলে যাতে আফ্রিদির মত ঝামেলায় না পড়ে সেজন্যই আমরা মেসেঞ্জারে ভিডিও কলিং ফিচার যুক্ত করেছি।'

এসময় তাকে, 'আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যে, আপনি মেসেঞ্জারের ফেক ডিরেক্টর। বাংলাদেশিরাই আপনার নিয়োগ দিয়েছে!’ এমন মন্তব্য করা হলে, তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে ব্লক করে দেন। ফলে আর কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।  

অন্যদিকে শহীদ আফ্রিদির কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি eআরকিকে বলেন, 'আর বইলেন না ভাই। মেয়ে ভেবে কথা বলছিলাম। পরে দেখি বাঙালিদের এঞ্জেল সাদিয়া ফেক আইডির মত আমারটাও ছেলে। মেলা কষ্ট পাইছিলাম। তিনদিন রুটি খাই নাই। একবার ভাবছিলাম ছেলে তো কি হইছে, দুজনে মিলে ইন্ডিয়া চলে যাই। পরে অনেক কষ্টে নিজেকে কন্ট্রোল করছি৷'

তো এর সাথে ভিডিও কল আবিষ্কার সম্পর্ক আছে কিনা জানতে চাইলে আফ্রিদি অবাক হয়ে বলেন, 'সিরিয়াসলি? ভিডিও কল দেয়া যায় নাকি ফোনে? আমি তো জানতাম না। তবে এখন আর থেকেই কী হবে বলেন? সেসব দিনে থাকলে নাহয় আমার এতো বড় ধরা খাইতে হইত না।'

২৬৫ পঠিত ... ২১:১৮, মে ০৫, ২০১৯

Top