শ্রীলঙ্কার হত্যাকান্ডের রহস্য মাত্র কয়েক মিনিটেই উদঘাটন করলেন বাংলাদেশি তরুণ গোয়েন্দা

৮৬২৮ পঠিত ... ১৯:৫৪, এপ্রিল ২২, ২০১৯

গত ২১ এপ্রিল রবিবার স্থানীয় সময় ৮টা ৪৫ মিনিটে শ্রীলংকার তিনটি হোটেল ও গির্জায় চারটি বোমা হামলা হয়। পরের ২০ মিনিটে আরও দুটি বোমা হামলা হয়। বিকেলের দিকে চতুর্থ হোটেল ও একটি বাড়িতে বোমা হামলা হয়। পুলিশের তথ্যের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, হামলায় নিহত মানুষের সংখ্যা ২৯০ জনে পৌঁছেছে। তাঁদের মধ্যে ৩৬ জন বিদেশি বলে জানিয়েছে বিবিসি। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে ২৪ জনকে।

বিশ্বজুড়ে এই অমানবিক ও বর্বরোচিত হামলা নিয়ে চলছে নিন্দার ঝড়। এই হামলাকে ঘিরে জমে উঠেছে নানান রহস্য এবং হরেক রকম প্রশ্ন। হামলাকারী কারা এবং তাদের উদ্দেশ্য কী, তা নিয়েও রয়েছে নানা রকম অস্পষ্টতা ও থিওরি। এরই মধ্যে জামাত আল-তাওহিদ আল-ওয়াতানিয়া নামের একটি জঙ্গিগোষ্ঠী শ্রীলঙ্কার গতকাল রোববারে ভয়াবহ বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে। দুবাইভিত্তিক আল অ্যারাবিয়া টেলিভিশন চ্যানেলকে উদ্ধৃত করে এ কথা জানিয়াছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস।

এদিকে বাংলাদেশের অনলাইনে ঘটে গেছে এক অভূতপূর্ব ঘটনা! শ্রীলঙ্কার এই ভয়াবহ হত্যাকান্ড ঘটে যাওয়ার পর সারা বিশ্ব যখন এর পেছনে কে আছে সেটা বের করতে ব্যর্থ, তখন হত্যাকান্ডের মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারণ ও হামলাকারীর পরিচয় উদঘাটন করে সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের এক তরুণ গোয়েন্দা। তিনি বিভিন্ন নিউজপেপারের কমেন্ট বক্সে তার এই তদন্তের মূল্যবান প্রতিবেদন কমেন্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলে জানা যায়। তবে চতুর গোয়েন্দাদের মতই এই তরুণ নিজের নাম গোপন রাখতে সক্ষম হয়। নাম গোপন রাখলেও তার তদন্ত প্রতিবেদন সম্বলিত স্ক্রিনশটটি উদ্ধার করেন আমাদের ফেসবুক প্রতিনিধি জয়দীপ দে শাপলু। এই প্রতিবেদনে স্পষ্ট দেখা যায় এই গোয়েন্দা বের করেছেন, শ্রীলংকার হামলার পেছনে আছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র' এবং শ্রীলংকান তামিল টাইগার। এছাড়াও তিনি হামলার পেছনে উগ্র হিন্দুদের দায় আছে বলে জানান। তিনি আরো বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশে হামলা করে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'।

বাংলাদেশি সেই দুর্দান্ত ডিটেকটিভ তরুণের তদন্ত প্রতিবেদন।

এত দ্রুত তদন্ত করে সব রহস্য বের করার কারণে এই তরুণ এখন সারাবিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশ্বের বড় বড় গোয়েন্দারা এই তরুণের চরণ স্পর্শ করার জন্য বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও নিউইয়র্ক টাইমসের একটা অপ্রকাশিত নিউজে জানা যায়। বিখ্যাত গোয়েন্দা শার্লক হোমস কমেন্টটি পড়ার পর eআরকিকে জানায়, 'এই তরুণ আজ থেকে আমার গুরু, আমার বস। আমি নিজে সারাজীবনে এত দ্রুত কোনো রহস্য উদঘাটন করতে পারিনি। বাংলাদেশি এই তরুণ আজ যা করে দেখালো তা গোয়েন্দাদের ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকবে। আমার হাতে নোবেল থাকলে আর নোবেলে গোয়েন্দা শাখায় পুরস্কার দেয়ার সিস্টেম থাকলে আমি এই বাংলাদেশি তরুণকে অবশ্যই একাধিক নোবেল প্রদান করে সম্মানিত করতাম।'

তবে শুধু এই ব্যক্তিই না। জানা যায় বাংলাদেশের আরো বহু তরুণ গোয়েন্দা উল্লেখ্য শ্রীলঙ্কা হত্যাকান্ড কেস নিয়ে কাজ করে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। প্রথম আলো, যুগান্তর ও বাংলা ট্রিবিউনের কমেন্টবক্স ঘুরলে এরকম বহু গোয়েন্দার তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এরকমই এক দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা যার ফেসবুক ছদ্মনাম, 'এক আজনাবি' এবং প্রোফাইল পিকচারে 'ইউরোপ-আমেরিকার আসল পুরুষ' খ্যাত জনি সিন্সের ছদ্মবেশী ছবি দেয়া, তিনি কমেন্ট প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানান, 'ভারত আর আমেরিকাকে সন্দেহ করা যায়, আবার পাকিস্তানও হতে পারে। চীন আর শ্রীলঙ্কা ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি করায় হয়তো এদের পছন্দ হয়নি।'

এছাড়াও আরো বহু গোয়েন্দা তাদের কমেন্ট প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিভিন্ন কারণ উদঘাটন করেছে এই সন্ত্রাসী হামলার।

এত দ্রুত কিভাবে রহস্য সমাধান সম্ভব এই প্রশ্ন করা হলে একজন বিখ্যাত কমেন্ট গোয়েন্দা আমাদেরকে জানান, 'আমরা একটা নির্দিষ্ট সিস্টেমে কাজ করি। গোয়েন্দাদের ভাষায় এটাকে 'ব্লাইন্ড আই মেথড' বলে। কোনো ঘটনা ঘটার সাথে সাথে আমরা চোখ বন্ধ করে যার নাম মনে আসে তাকে বা তাদেরকে অপরাধী বলে তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে দেই।'

তবে রিপোর্টগুলো কেন বিভিন্ন পত্রিকার ফেসবুক পেজের কমেন্টবক্সে দেন, এমনটা জানতে চাইলে আরেক গোয়েন্দা eআরকিকে বলেন, 'বড় বড় পত্রিকার কমেন্টবক্সে কমেন্ট করলে সারা বিশ্ব থেকেই তুমুল সাড়া পাওয়া যায়৷ আমি একবার নিউজিল্যান্ড মসজিদ হামলায় ভারতীয় 'র' কে দায়ী করে কমেন্ট করে সারাবিশ্ব থেকে প্রায় ২৮০টা রিয়্যাক্ট আর তেত্রিশটা সহমত ভাই কমেন্ট পেয়েছিলাম'।

৮৬২৮ পঠিত ... ১৯:৫৪, এপ্রিল ২২, ২০১৯

Top