সন্ত্রাসীদের লাগানোর মলম নিজেই ইউজ করছেন হিরো আলম

৩১৩৪ পঠিত ... ১৭:৩৫, মার্চ ০৮, ২০১৯

'আমি হিরো আলম, সন্ত্রাসীদের লাগাই মলম' এই বিখ্যাত ডায়লগ দেয়া ইন্টারন্যাশনাল 'ফেমাচ' সেলিব্রেটি হিরো আলমের বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, সন্ত্রাসীদের লাগাতে চাওয়া সেই মলম গত দুই রাত ধরে তিনি নিজেই ইউজ করছেন। লাগাচ্ছেন নিজের শরীরের হাড়ে হাড়ে এবং গিরায় গিরায়।

শ্বশুরবাড়ি এলাকার লোকজনের হাতে পিটুনি খেয়ে এই অবস্থা হয়েছে হিরো আলমের। কী এমন হলো, হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিনোদন দিতে দিতে সেলিব্রেটি, এমপি প্রার্থী, মোটিভেশনাল লেখক হয়ে যাওয়া আলম সাহেবের? কী কারণে 'মাইর' খেলেন শ্বশুরের হাতে?

'দৃষ্টিভঙ্গী পাল্টাতে এসেছি' বলে দাবি করা আলম সাহেব 'ফেমাচ' হওয়ার পর প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে করেছেন আরেক বিয়েও। সেই পরকীয়ার খবর শুনে স্ত্রী প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে মারধোর করে পাঠিয়েছেন হাসপাতালে। এহেন কার্যকলাপের পর বাংলাদেশের সামাজিক নিয়মকানুন মেনে শ্বশুরবাড়ির লোকজন উনাকে প্রথমে হাসপাতালে পাঠান, এরপর পুলিশ হেফাজতে। তাই বর্তমানে হাসপাতালে কোট প্যান্ট পরে শুয়ে ব্যাথা কমাতে গিরায় গিরায় লাগাচ্ছেন মলম।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হিরো আলমের স্ত্রী সাদিয়া বেগম সুমি জানান, 'দুই মাস পর গত সোমবার রাতে হিরো আলম বগুড়া শহরতলীর এরুলিয়া গ্রামে তার বাড়িতে আসেন। বাসায় ফেরার পর থেকে বিছানায় শুয়ে একটানা তিন ঘণ্টা মোবাইলে ঢাকার এক নারীর সঙ্গে কথা বলেন। এর প্রতিবাদ করলে সোমবার রাতে তাকে প্রচন্ড মারপিট করেন আলম' (প্রথম আলো)।

 

তিনঘন্টা নারীর সাথে কি এমন কথা বলছিলেন জানতে চাওয়া হলে হিরো আলম আমতা আমতা করে জানান, 'হেই মাইয়া হামার লায়িকা। এই একটু শরীল সাস্থ্যের খবর লিচ্ছিলাম।' তিন ঘন্টা ধরে শরীরের খবর কিভাবে নেয় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'আজ গরীব বইলা এসব প্রশ্ন হামাক কচ্ছেন৷ আজ যদি টাকা থাইকতো তবে পরকিয়ার ঘটনা ধামাচাপা দিবের পাইরতাম। আব্বায় লেহাপড়া শিখায় নাই। নাইলে আপনাদের মত ভদ্দরলোক হইতাম।'

স্ত্রীকে 'শুধু' থাপ্পড় মেরেছেন বলে দাবি করা আলমে কাছে আমরা জানতে চাই, প্রেমিকাদের থাপ্পড় মারার এক সেকেন্ড পরেই তো আপনার 'আয় হায়, এ আমি কী কল্ল্যাম' ধরনের আত্মোপলব্ধি হয়। স্ত্রীকে থাপ্পড় মেরে এমন কোনো রিয়ালাইজেশন হলো না? জবাবে আলম জানান, 'হাসপাতালে আসার পর থিকে মন হচ্চে, হায় হায় এ আমি কী কল্ল্যাম। তার আগে মনে হইছিল না।'

শ্বশুরবাড়ির লোকেরা যখন আপনাকে পেটালো, তখন তাদেরকে কী বলছিলেন, জানতে চাইলে আলম বলেন, 'আমি বলছিলাম, আমার একটা কথা তো শুইনবে! কুনু কতাই শুইলো না।'

পরিশেষে আমরা তার কাছে জানতে চাই হাসপাতালের বেডেও গায়ে কোট প্যান্ট কেন? তিনি জানান, 'মাইরের চোটে কাপড় খুইলবের টাইম পাই নাই।'

এই যে আপনার ব্যাপারে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গী বদলে দিলেন, এটাও কি আপনার বইয়ের প্রচারণা? জানতে চাইলে হিরো আলম ঠ্যাঙের ব্যথায় ককিয়ে ওঠেন!

৩১৩৪ পঠিত ... ১৭:৩৫, মার্চ ০৮, ২০১৯

Top