গেম অব থ্রোনসের এপিসোড ফোর ফাঁস হওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করলেন শিক্ষামন্ত্রী

১৯৮৩ পঠিত ... ১৬:৩৮, আগস্ট ০৫, ২০১৭

ফাঁস এবং শিক্ষামন্ত্রী যেন হয়ে গেছে পরস্পরের সমার্থক। ফেসবুক সেলিব্রেটির স্ক্রিনশট ফাঁস হলেও অভিযোগের তীর ঘুরেফিরে চলে যায় শিক্ষামন্ত্রীর দিকে। গতকাল অনলাইনে গেম অব থ্রোনসের সিজন সেভেন এপিসোড ফোর ফাঁস হওয়ায় তোলপাড় শুরু হয় গেম অব থ্রোনস ভক্তমহলে। স্বাভাবিকভাবেই এপিসোড ফাঁস হওয়ার সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। তবে এমন অভিযোগ তীব্রভাবে অস্বীকার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।

গতকাল ফাঁস হওয়া একটি অনলি মি প্রাইভেসির ফেসবুক ভিডিও পোস্টে তিনি গেম অব থ্রোনসের এপিসোড ফাঁসের সঙ্গে যে কোনো প্রকার সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা বাতিল করে দেন।

বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর সময়ে প্রশ্ন ফাঁস চলে গেছে শিল্পের পর্যায়ে। প্রশ্ন ফাঁস এখন কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার না, যেন এটাই স্বাভাবিকতা। কিন্তু তাই বলে গেম অব থ্রোনসের এপিসোড ফাঁস করার মতো গর্হিত কাজ কখনোই করতে পারেন না, এমনটা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিজে গেম অব থ্রোনস দেখি। যারা যারা গেম অব থ্রোনসের স্পয়লার দেয়, আমি নিজে তাদেরকে ব্লক করে দিই। সেখানে এপিসোড ফাঁস করার প্রশ্নই ওঠে না। প্রশ্ন ফাঁস না হয় দু তিনটা হইলো, তাই বলে গট? অসম্ভব! গট ইট?’

যে কোনো কিছু ফাঁস হওয়ার সঙ্গে নিজের নাম এভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ার ব্যাপারটি নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ‘প্রশ্ন ফাঁস হলে বলেন আমার দোষ, জিপিএ ফাইভের স্রোত বয়ে গেলে খুশিও হন আবার এইটাও বলেন যে আমার দোষ, এবার জিপিএ ফাইভ কম আসায় সেটাও আমার দোষ। এখন, গেম অব থ্রোনসের এপিসোড ফাঁস হইলো, তাই বলে এটাও আমার দোষ? আরে? কবে তো বলবেন উইকিলিক্সও আমি চালাই।’

এই পর্যায়ে ওই ভিডিওর কমেন্টে একজন গট এপিসোড ফোরের টরেন্ট ডাউনলোড লিংক পোস্ট করলে তিনি ওই কমেন্ট ডিলিট করে তাকে ব্লক মেরে দেন।

ফাঁস হওয়াকে একটি প্রকৃতির নিয়ম উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ফাঁস প্রকৃতির নিয়মেই হয়ে থাকে। এটি একটি পরম সত্য ও শাশ্বত ব্যাপার। এই যে জেইমি-সার্সি ভাইবোন হয়ে এত কাহিনী করলো, তাদের লীলাখেলার ব্যাপারটা ফাঁস হওয়া কি ঠেকাতে পেরেছে? ফাঁস কখনো ঠেকানো যায় না। ঠেকাতে গেলে দেখেন তৃতীয় নয়ন গজায়ে যায় আবার।’

ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়াই সব ধরণের ফাঁস ঠেকানোর একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে বলে তিনি মতামত দেন। তবে ভিডিওটির মাঝামাঝি তিনি বলেন, ‘ফাঁস হলে আসলে গণমানুষই খুশি হয়। এই যে গটের চার নম্বর এপিসোড ব্রেথটেকিং হয়েছে বলে আপনারা চিল্লাচ্ছেন, ড্রাগনমাতার ফ্ল্যাট অভিনয়েও মুগ্ধ হচ্ছেন, তা ফাঁস না হলে কি সম্ভব হতো? তেমনি প্রশ্নফাঁস হলেও জিপিএ ফাইভ পেয়ে পোলাপান কত খুশি হয়। প্রশ্ন ফাঁসের শেকড়টা তেতো হলেও, রেজাল্টটা আসলে মিষ্টি!’

তবে একদম শেষে তিনি গটের এপিসোড ফাঁসকারীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'ফাঁসকারীদের চক্রান্ত রুখে দিন। তাদের সম্পর্কে কোনো ক্লু থাকলে তা ইউরন বা হোয়াইট ওয়াকারদের জানান।'

১৯৮৩ পঠিত ... ১৬:৩৮, আগস্ট ০৫, ২০১৭

Top