ফাটাফাটি ১০টি কৌতুক পড়ে শুরু করুন ছুটির দিন

৩৮৯ পঠিত ... ১৭:৪৮, মে ০২, ২০১৯

 

১#
বিজ্ঞানে মাস্টার্স করা ছেলের বউকে নিয়ে দারুণ গর্ব শাশুড়ির। বাড়িতে বেড়াতে আসা লোকজনদের সেটা নিয়েই কথা বলছিলেন তিনি। এমন সময় সে ট্রেতে করে চা নিয়ে ঢুকল। শাশুড়ি খেয়াল করলেন, চায়ে যেন কী ভাসছে।
: এ কী বউমা চায়ে যে পিঁপড়া ভাসছে!
: সেটাই তো স্বাভাবিক মা, পানির ভেতর চিনি ভারি বলে নিচে পড়ে রয়েছে আর পিঁপড়া হালকা বলে ভেসে বেড়াচ্ছে।

 

২#
জ্যোতিষী: হাত দেখে মনে হচ্ছে আরও বছর ৭-৮ বছর কষ্ট করতে হবে।
ভদ্রলোক: তারপর। কষ্টের দিন শেষ?
জ্যোতিষী: তারপর আপনি কষ্ট সহ্য করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন।

 

৩#
ফরাসি বিপ্লবের সময়কার কথা। গিলোটিনে মারা হবে একজন উকিল, ডাক্তার আর প্রকৌশলীকে।

প্রথমে উকিল গিলোটিনে মাথা পেতে দিলো। গিলোটিনের ধারালো ব্লেড মাঝপথে আটকে গেলো। নিয়মানুসারে  বেঁচে গেলো উকিল।

তারপর ডাক্তারের  পালা। ডাক্তারও একই প্রক্রিয়ায় বেঁচে গেলো।

প্রকৌশলীকে নেয়া হলো গিলোটিনের মঞ্চে সে মাথা পেতে দেয়ার আগে বলে উঠলো, ‘এক মিনিট, ব্লেডটা কেন বারবার আটকে যাচ্ছে সমস্যাটা মনে হয় ধরতে পেরেছি।‘

 

৪#
ক্রেতা: এতো কম দামে ঘড়ি বিক্রি করে আপনাদের লাভ কী?
বিক্রেতা: লাভটা আমরা আমাদের রিপেয়ারিং সেকশনের মাধ্যমে উঠিয়ে নেই। 

 

৫#
ডাক্তার: আপনাকে এখন থেকে ফলমূল বেশি করে খেতে হবে। বিশেষ করে ফলমূলের ছোলা। কারণ ফলের ছোলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে। আচ্ছা আপনার প্রিয় ফল কী?
রোগী: নারকেল, কাঁঠাল।

 

৬#
সারল্য ও সততার সবচেয়ে বড় ভক্ত ঠকবাজেরা।

 

৭#
এক পার্টিতে বিখ্যাত পশু ডাক্তারও এসেছেন। তাকে নিয়ে রসিকতার উদ্দেশে একজন সবাই শুনতে পায় এমন করে বললেন-
: আরে! আপনি সেই লোক না যে বাঁদরের চিকিৎসা করে?
: জি, ঠিকই ধরেছেন। কিন্তু সরি, এখন তো আপনার চিকিৎসা করতে পারবো না। আপনি বরং কাল সকালেই আমার চেম্বারে চলে আসুন। আর হ্যা, নাশতা কিন্তু দুটোর বেশি কলা খাবেন না। কিছু টেস্টও করাতে হতে পারে কিনা।

 

৮#
: আপনি সবসময় বিবাহিতদের চাকরি দেন কেন?
: কারণ বিবাহিতদের গালাগালি করলেও ওরা কিছু মনে করে না।

 

৯#
ডাক্তারের বন্ধু: তুমি আমাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক ডাক্তার। ফি দিয়ে তোমাকে ছোট করতে চাই না। তবে ভেবো না আমার উইলে তোমাকে আমি কিছু সম্পত্তি দিয়ে যাবো।
ডাক্তার: সেক্ষেত্রে তোমার প্রেসক্রিপশনটা একটু দাও। একটা ওষুধ বদলে দিই। 

 

১০#
 : বাহ! আপনার হার্টের অবস্থা তো এখন বেশ ভালো। কালই বাসায় চলে যেতে পারেন।
: ধন্যবাদ ডাক্তার, আপনার বিলটাও তবে আমাকে দেখাবেন।
: বিলটা আপনার না দেখাই ভালো। আপনার ছেলেকেই দেখাবো না হয়।
: কেন বলুন তো?
: না, না আর কটা দিন পরেই না হয় জানলেন, মাত্র একটা বড় ধাক্কা খেয়ে উঠলেন এই সময়ে আরেকটা...

৩৮৯ পঠিত ... ১৭:৪৮, মে ০২, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top