ম্যাডামের যেসব প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপালেরই কান লাল হয়ে উঠলো! (১৮+)

১০৬৭৮ পঠিত ... ২৩:১২, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

ক্লাসে এক ছাত্র বললো, ম্যাডাম, আমার অন্তত গ্রেড ফোরে থাকা উচিৎ। আমার বোনের চেয়ে আমি স্মার্ট অথচ সেও গ্রেড-ফোরে পড়ে। 

ছেলেটা ম্যামকে প্রায়ই এই কথা বললে ম্যাডাম তাকে প্রিন্সিপালের কাছে নিয়ে গেলো। প্রিন্সিপাল তাকে পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলো। 

প্রিন্সিপাল: ৪+৪=কত?
ছাত্র: ৮
প্রিন্সিপাল: ৮+ ৮=কত?
ছাত্র: ১৬

আরও নানা ধরণের প্রশ্ন করলো প্রিন্সিপাল। ছেলেটা সব প্রশ্নের ঠিকঠাক উত্তর দিলো। প্রিন্সিপাল ছেলেটাকে গ্রেড ফোরে ভর্তি করে দিতে বললেন। কিন্তু তার আগে ম্যাডাম ছেলেটার পরীক্ষা নিতে চাইলেন। প্রিন্সিপাল তাতে রাজি হলেন।

ম্যাডাম: এমন কি জিনিস যা গরুর আছে চারটা কিন্তু আমার আছে দুটি?
ছাত্র: পা। 
ম্যাডাম: তোমার ট্রাউজার্সের মধ্যে এমন কিছু যা আমার নাই।
ছাত্র: পকেট।
ম্যাডাম: সি (C)  দিয়ে শুরু টি (T) দিয়ে শেষ, লোমশ, গোলাকার, সুস্বাদু, আর তাতে পাতলা সাদা তরল পদার্থ আছে। কী এটা?
ছাত্র: কোকোনাট (Coconnut)
ম্যাডাম: কোন জিনিস শক্ত হয়ে প্রবেশ করে, আর বের হয় নরম আর আঠালো অবস্থায়?

[প্রিন্সিপাল চোখ বড় বড় করে তাকাল। কিন্তু তিনি কিছু বলার আগেই ছেলেটা উত্তর দিলো]

ছাত্র: বাবল গাম।
ম্যাডাম: তোমার খুটি আমার ভেতরে ঢুকিয়ে রাখো। আমাকে জাগিয়ে তুলতে নিচে ফেলে বাধো, আমি জেগে ওঠার আগেই ভিজে যাই।

[প্রিন্সিপাল ভেতরে ভেতরে অস্থির হয়ে ওঠেন।]

ছাত্র: তাবু।
ম্যাডাম: আমার ভেতরে আঙুল ঢুকে যায়, তুমি একঘেয়ে লাগলে আমাকে নেড়েচেড়ে দেখো। সেরা পুরুষ আমাকে আগেই পায়।
ছাত্র: বিয়ের আংটি।
ম্যাডাম: আমি নানান সাইজের হই। যখন আমি ঠিক থাকি না, ফোটায় ফোটায় গড়িয়ে পড়ি। যখন তুমি আমাকে ঝেড়ে ফেলো, শান্তি পাও।
ছাত্র: নাক।
ম্যাডাম: আমার একটা শক্ত হাতল আছে। আমার অগ্রভাগ কাঁপতে কাঁপতে ঢুকে পড়ে।
ছাত্র: তীর।

[প্রিন্সিপাল: ইয়া মাবুদ!]   

ম্যাডাম: কী এফ দিয়ে শুরু হয় শেষ হয় কে দিয়ে, এবং যদি সেটি তোমার না জোটে, তাহলে নিজের হাতকে কাজে লাগাও।
ছাত্র: ফর্ক (Fork)
ম্যাডাম: কি এমন যা সব পুরুষের আছে, কারও এটা লম্বা, পোপ তারটা ব্যবহার করেন না, এবং একজন পুরুষ বিয়ের পর তার স্ত্রীকে দেয়?
ছাত্র: বংশনাম। 

প্রিন্সিপাল: এই ছেলে বলে কি এসব! এতো জিনিয়াস।

ম্যাডাম: পুরুষের কোন অঙ্গ যাতে হাড় নেই, অনেক শিরাযুক্ত পেশী আছে এবং ভালোবাসার জন্যে দায়ী?
ছাত্র: হৃৎপিণ্ড। 

এহ! প্রিন্সিপাল স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লেন।

প্রিন্সিপাল: হারামজাদাটাকে ভার্সিটিতে পাঠিয়ে দাও। আমি নিজে সবগুলো প্রশ্নের ভুল উত্তর দিয়েছি।
ম্যাডাম: না, এখন যে ক্লাসে আছে এই ক্লাসেই রাখতে সুপারিশ করি আমি। এখনো একদম মাছুম বাচ্চা সে। যে চিন্তাগুলি আসার কথা তা এখনো মাথায় আসে না। ভার্সিটিতে ওঠার মতো ম্যাচুরিটি ওর হয়নি।

১০৬৭৮ পঠিত ... ২৩:১২, এপ্রিল ১৭, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top