বদিবৃত্তান্ত: এক দশকে আবদুর রহমান বদির নানা ঘটনাবলি

৫৯৬৬ পঠিত ... ১৭:৫১, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯

বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশে সবচেয়ে ভয়াল মাদকের নাম ইয়াবা। 'বাবা' নামে এটি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিশেষ করে তরুণদের মাঝে। সারা দেশে ইয়াবার মূল যোগান আসে মুলত মায়ানমারের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের এলাকা টেকনাফ থেকে। আর ইয়াবার সাথে জড়িয়ে সবচেয়ে বেশি যে নামটা শোনা যায়, তিনি কক্সবাজার-৪ আসন থেকে ২০০৮ এবং ২০১৪ দুই মেয়াদে সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সাংসদ আবদুর রহমান বদি। নিঃসন্দেহে টেকনাফ-উখিয়া এলাকার সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত মানুষ তিনি। একাধিকবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের একাধিক মাদক ব্যবসায়ীর তালিকার শীর্ষে এসেছে আবদুর রহমান বদির নাম।

বদি এবং ইয়াবার এই যুগলবন্দী বুঝতে ক্যালেন্ডারের পাতা পিছনের দিকে উল্টাতে হবে প্রায় পঞ্চাশ বছর। যেতে হবে সত্তরের দশকে বদির বাবা এজাহার মিয়া কোম্পানির সময়ে। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত একটি খবরে জানা যায়, অক্ষরজ্ঞান না থাকলেও দীর্ঘদিন তিনি ছিলেন টেকনাফ অঞ্চলের রাজনীতির নিয়ন্ত্রক। সত্তরের দশক থেকেই স্বর্ণ চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি তার প্রকাশ্য ব্যবসা ছিল হোটেল ব্যবসা। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত হন বিএনপির রাজনীতিতে। পরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে যুক্ত হন জাতীয় পার্টিতে যুক্ত হয়ে নির্বাচিত হন উপজেলা চেয়ারম্যান। পরে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে। 

২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর দৈনিক সমকালে প্রকাশিত একটি খবর থেকে আরও জানা যায়, তখন থেকেই বাবার প্রভাবেই প্রভাবশালী হয়ে উঠতে থাকেন আবদুর রহমান বদি। ১৯৮৮ সালে চোরাই পণ্যবাহী একটি ট্রাক আটকে রাখার ‘অপরাধে’ এক কাস্টমস কর্মকর্তাকে মারধর করার অভিযোগ আসে তরুণ বদির উপর। মামলাও হয়। কিন্তু সাক্ষীর রহস্যজনক মৃত্যুতে মামলাটি খুব বেশিদূর গড়ায়নি। ১৯৯২ সালে বদি ও তার বাবার বিরুদ্ধে কাস্টমস অফিস লুটের অভিযোগ উঠলেও মামলা হয়নি কোনো।

রাজনীতিতে বদির আগমন ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অনেক চেষ্টা করেও বিএনপির মনোনয়ন পাননি। তারপর ওই বছরেরই জুন মাসের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পান তিনি। তবে সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে তার মনোনয়ন ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর এক সময় বদি যোগ দেন আওয়ামী লীগে। ২০০১ এর জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন না পেলেও বদি ছিলেন আওয়ামী পক্ষে আর বাবা এজাহার মিয়া ছিলেন বিএনপির সমর্থক হিসেবে। অর্থাৎ দুই দিকেই পারবারিক সাম্য বজায় ছিল।

২০০২ সালে বদি টেকনাফ পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর থেকেই তার বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, দুর্নীতির অভিযোগ আসতে থাকে। ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও তার বিরুদ্ধে দুই ডজন মামলা হয়। 

এরপর ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যানারে সাংসদ নির্বাচিত হন আবদুর রহমান বদি। সেই সময় থেকে কখনোই আর আলোচনার বাইরে যেতে হয়নি তাকে। চলুন দেখে নিই নির্বাচিত সাংসদ হবার পর থেকে বদি কখন কীভাবে কোন খবরে আলোচনায় এসেছেন…

 

# সাংসদ বদির ওপর নাখোশ ট্রাকমালিকরা

২৯ মে, ২০১০ (বিডিনিউজ)

সরকারদলীয় সাংসদ আবদুর রহমান বদির 'সিন্ডিকেট বাণিজ্য', ট্রাকশ্রমিকদের ওপর নির্যাতন ও চাঁদা আদায়ের কারণে স্থানীয় ট্রাকমালিকরা বন্দর থেকে পণ্য বহনকারি পাঁচশরও বেশি ট্রাক প্রত্যাহার করে নেন

 

# নির্বাচনী কর্মকর্তাকে মারধর সাংসদ বদির বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

৩১ জানুয়ারি, ২০১১ (বিডিনিউজ)

সাংসদ আবদুর রহমান বদি ২০১১ সালের ১৫ জানুয়ারি টেকনাফে তার চাচা পৌর নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসলামের জনসভায় অংশ নেন। বদির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত হলে বদি তাকে মারধর করেন।

 

# উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ বদির বিরুদ্ধে মামলা

১২ এপ্রিল, ২০১১ (বিডিনিউজ)

টেকনাফে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মারধরের অভিযোগে সরকার দলীয় সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মামলা হয়

 

# দুর্নীতি প্রমাণ হলে পদ ছেড়ে দেব: বদি 

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ (প্রথম আলো)

দুর্নীতির সব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমি দুর্নীতি করেছি বা একটি টাকা বিদেশে পাঠিয়েছি বা একটি পয়সা অবৈধ পথে আয় করেছি কিংবা মাদক ব্যবসা করেছি বা আমার বিরুদ্ধে করা একটি অভিযোগও প্রমাণিত হলে আমি সংসদ সদস্যপদ ছেড়ে দিয়ে সাধারণ জনগণের কাতারে দাঁড়াব।’

বদি বলেন, ‘প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আয়কর দিয়েছি আমি। গত দুই অর্থবছরে সেরা করদাতা হিসেবে আমি কক্সবাজারে পরিচিত। কর-বহির্ভূত একটি টাকাও কোথাও নেই। কোনো কালোটাকাও সাদা করি নাই।’

হলফনামা প্রদর্শন করে তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে আমার মোট মূলধন ৯ কোটি ৫২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। এর বাইরে কোথাও একটি টাকা নেই। বিদেশেও আমি কোনো টাকা পাঠাই নাই।’

দুদক জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দুদক আমাকে ডেকেছে। আমি দুদককে স্যালুট দেই। এটি তদন্তাধীন বিষয়। এ নিয়ে কথা বলা ঠিক হবে না। গণমাধ্যমের বিভিন্ন অপপ্রচার নিয়ে আমাকে আমার সপক্ষে যুক্তি দেখাতে বলা হয়েছে। আমি দিয়েছি।’

মিডিয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে বদি বলেন, ‘ইতিমধ্যে কক্সবাজারের বেশ কজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। এসব সাংবাদিক আমার চরিত্র হনন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়েছে। কই আমার নাকি ৩৬ কোটি টাকা আছে। এনে দেন আমাকে ওই টাকা।'

 

# ইয়াবা ব্যবসায়ী তালিকার শীর্ষে বদি

৯ ডিসেম্বর, ২০১৪ (প্রথম আলো)

২০১৪ সালে করা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৭৬৪ জন ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় এক নম্বরে ছিলেন সাংসদ আবদুর রহমান বদি। মন্তব্য কলামে বলা হয়েছিল, ‘তাঁর ছত্রচ্ছায়ায় কিছু ব্যক্তিবর্গ ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত।’ ২০১৪ সালের ২৩ জানুয়ারি তালিকাটি তৈরি করেছিল অধিদপ্তরের অপারেশন ও গোয়েন্দা বিভাগ

 

# আয়কর বিভাগ থেকে সাংসদ বদি ও ইয়াবা ব্যবসায়ীকে সম্মাননা

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ (প্রথম আলো)

সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে কক্সবাজার-৪ আসনের সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই আয়কর বিভাগ থেকে কক্সবাজার জেলার সর্বোচ্চ করদাতার সম্মাননা পেয়েছিলেন তিনি। একইভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকার শীর্ষে থাকা কক্সবাজারের টেকনাফের আবদুস শুক্কুরও পেয়েছিলেন একই সম্মাননা। তিনি সাংসদ আবদুর রহমান বদির ছোট ভাই।

 

# সম্পদের তথ্য গোপন মামলায় সাংসদ বদি কারাগারে

১২ অক্টোবরে, ২০১৪ (বিডিনিউজ)

ছবি: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর

সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় আত্মসমর্পণের পর কক্সবাজারের সাংসদ আবদুর রহমান বদিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়

 

# এমপি বদি কারামুক্ত

৩০ অক্টোবর, ২০১৪ (বিডিনিউজ)

দুর্নীতি দমন কমিশনের করা সম্পদের তথ্য গোপন সংক্রান্ত মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর কারাগার থেকে ছাড়া পান কক্সবাজারের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি।

 

# ইয়াবা পাচার: বদির স্বজন গ্রেপ্তার

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৪ (বিডিনিউজ)

ইয়াবা পাচারে জড়িত হিসেবে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের করা তালিকার তিন নম্বর ব্যক্তিকে মং মং সেনকে (মমসী) টেকনাফ থেকে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার মং মং ওই এলাকার সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির সৎ মায়ের বোনের ছেলে

 

# বদির ভাইয়ের বাড়ি থেকে রোহিঙ্গা আটক

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৪ (বিডিনিউজ)

ইয়াবা পাচারকারী তালিকায় থাকা বদির দুই ভাই মো. শফিক ও মো. ফয়সালকে আটক করতে টেকনাফে তাদের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে শফিক ও ফয়সালকে না পাওয়া গেলেও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে অবস্থান করা মিয়ানমার নাগরিক মো. শামসুল আলমকে পাওয়া যায়।

 

# তিন তালিকাতেই সাংসদ বদি

১৮ জুন, ২০১৫ (প্রথম আলো)

ছবি: প্রথম আলো

মানব পাচার, ইয়াবা ও রোহিঙ্গাদের বৈধকরণ—এই তিন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে টালমাটাল পর্যটন শহর কক্সবাজার। সরকারের খাতায় এই তিন অপরাধেরই প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নাম এসেছে কক্সবাজার-৪ আসনের (উখিয়া-টেকনাফ) সাংসদ আবদুর রহমান বদির। সঙ্গে ছিলেন তার ছয় ভাইসহ ২৬ জন কাছের ও দূরের আত্মীয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা টেকনাফের শীর্ষ ৭৯ মানব পাচারকারীর তালিকায় সাংসদ বদির নাম ছিল ১ নম্বরে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই তালিকা করা হয়। একই বছরের ডিসেম্বরে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে আরেকটি তদন্ত হয়। তাতে সাংসদের আট আত্মীয়কে মানব পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

এর আগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের করা ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকায়ও সাংসদ বদিকে মাদকের মূল পৃষ্ঠপোষক বলা হয়। ওই তালিকায় তার ১৭ জন আত্মীয়ের নাম আছে।

 

# প্রকৌশলীকে পেটালেন এমপি বদি

১২ আগস্ট, ২০১৫ (বিডিনিউজ)

উখিয়া উপজেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলীকে মারধর ও গালাগালির অভিযোগ আসে বদির বিরুদ্ধে।

 

# বদির ইয়াবা পাচারের প্রমাণ মেলেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ (বিডিনিউজ)

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকায় ইয়াবা পাচারের হোতা হিসেবে আব্দুর রহমান বদির নাম এলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছিলেন, ‘এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে এখনও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

‘অনেকের নাম আছে। অনেকে ইমোশনালি নাম দেয় যে এটা হতে পারে। এটা হতে পারে, বা হতে পারে না, তা তো তদন্তের বিষয়। তদন্তে প্রমাণ তো পেতে হবে,’ তিনি আরও বলেন ‘অনেকের নামই আছে। কিন্তু তার (বদি) সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাইনি।’

 

# দুর্নীতি মামলায় সাংসদ বদির বিচার শুরু

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ (বিডিনিউজ)

প্রায় ১১ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় কক্সবাজারের আলোচিত সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত

 

# ইয়াবা নিয়ে চ্যালেঞ্জ দিলেন বদি

২ জানুয়ারি, ২০১৬ (এনটিভি অনলাইন)

এক সাক্ষাৎকারে আবদুর রহমান বদি ইয়াবার দোষ সাংবাদিকদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেন। বদি বলেছিলেন, ‘ইয়াবা ১০ টাকা দামের আছে। ইয়াবা ১৫ টাকা দামের আছে, ইয়াবা ২০০ টাকা দামের আছে। ২০০ টাকা দামের ইয়াবাগুলো ধরা হলো, ১০ টাকা দামের ইয়াবাগুলো সাংবাদিকদের কাছে বিক্রি করা হলো। সাংবাদিকরা ভাইয়েরা এগুলো নিয়ে চিটাগাংয়ে বিক্রি করছেন। একটু খবর নেন। আমার কথা যদি মিথ্যা হয়! খবর নেন। আমি চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছি। কোনো ইয়াবা ব্যবসায়ীর সঙ্গে যদি কথা বলেছি, এক কাপ চা খেয়েছি, আমার মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং আছে, এ রকম যদি ট্র্যাকিং থাকে সেটা প্রমাণ করতে পারলে জাতীয় সংসদের পবিত্রতা রক্ষার্থে জনগণের কাতারে চলে আসব।’

 

# আমি সৎ, ব্যবসা করে খাই: এমপি বদি

২৯ জুন, ২০১৬ (বিডিনিউজ)

বদির বিরুদ্ধে করা দুদকের অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিচারকাজ চলাকালে আদালতে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বদি বলেন ‘আমি খেলাপিও না, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোনো সম্পদও আমি অর্জন করিনি। আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমি নির্দোষ; সৎ ব্যবসায়ী, ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করি।’

 

#সৌদি নাগরিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকে সাংসদ বদিও: বিজিবি

৩১ জুলাই, ২০১৬ (বিডিনিউজ)

কক্সবাজারের টেকনাফে আটক করা হয় দুই সৌদি নাগরিককে। বিজিবি জানায়, তাদের সঙ্গে বৈঠকে এক আরএসও নেতাসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিও উপস্থিত ছিলেন

 

# দুর্নীতির দায়ে সাংসদ বদির কারাদণ্ড

২ নভেম্বর, ২০১৬ (বিডিনিউজ)

সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০১৪ সালে সাংসদ আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সেই মামলায় বদিকে দুর্নীতির দায়ে তিন বছরের কারাদণ্ড এবং দশ লাখ টাকা জরিমানা করে আদালত।

 

# সাংসদ বদি জামিনে মুক্ত

২০ নভেম্বর, ২০১৬ (বিডিনিউজ)

১৮ দিন কারাবাসের পর মুক্তি পান সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় দণ্ডিত সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি

 

# তুমি আর নমিনেশন পাচ্ছ না: বদিকে কাদের

২ জুন, ২০১৭ (বিডিনিউজ)

টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ সড়ক দিয়ে ঘূর্ণিঝড় মোরায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাওয়ার সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংসদ বদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘দুই দুইবার এমপি হইলা। কিন্তু এটুকু সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ঠিক করতে পারলা না। জনগণের এই ভোগান্তির জন্য তোমার শিক্ষা পাওয়া উচিত। তোমাকে আগামীবার নমিনেশন দেওয়া হবে না।’

 

# আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন সাংসদ বদি

২০ মার্চ ২০১৭ (বিডিনিউজ)

ছবি: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর

 সম্পদের তথ্য গোপন বিষয়ে দুদকের করা একটি মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন  আব্দুর রহমান বদি।

 

# ওবায়দুল কাদেরকে আপ্যায়নে বদি

 সেপ্টেম্বর, ২০১৭

২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ শুরু হয় নতুন করে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে গেলে তাকে আপ্যায়ন করেন স্থানীয় সাংসদ বদি। ওবায়দুল কাদেরকে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন বদি, এমন একটি ছবি তখন ভাইরাল হয়। এছাড়াও বদি মন্ত্রী এবং সাথের সবাইকে চা-ও খাওয়ান।

 

 

# ইয়াবা ব্যবসা ঠেকাবেন বদি!

২৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ (প্রথম আলো)

‘সবাই জানেন, ইয়াবা আসছে টেকনাফ থেকে। তাহলে সেটা কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না? এলাকার সাংসদই বা কী বলেন।’ বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত সীমান্ত সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কিত মতবিনিময় সভায় দিনাজপুর-২ আসনের সাংসদ ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর এই প্রশ্নের জবাবে টেকনাফের সাংসদ আবদুর রহমান বদি বলেন, ‘আমি নিজেও জানি না রিকশাচালক কী করে গাড়ি-বাড়ির মালিক হয়ে যাচ্ছে। আসলে ইয়াবা ব্যবসা করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ নেতারা।’

 

# লিপস্টিক ছাড়া মেয়েদের পুরোপুরি সুন্দর দেখায় না: বদি

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ (বিডিনিউজ)

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে আব্দুর রহমান বদি বলেন, ‘একটি মেয়ের ঠোঁটে যতক্ষণ পর্যন্ত লিপস্টিক থাকবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে পরিপূর্ণ সুন্দর দেখা যাবে না।’ বদির এই বক্তব্য নিয়ে সংসদে বেশ সমালোচনাও হয়

 

# বদি গরিবের বন্ধু: ওবায়দুল কাদের

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ (জাগোনিউজ)

উখিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত একটি পথসভায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফে) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির কোনো বিকল্প নেই। বদি গরিবের বন্ধু। তাই আগামী নির্বাচনে বদিকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।

 

# মাদকে জড়িত মিডিয়া-প্রশাসনের কিছু লোক: বদি

২২ মে, ২০১৮ (প্রিয় ডট কম)

প্রিয় ডট কমকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মিডিয়া ও প্রশাসনের কিছু লোক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ করেন বদি। তিনি আরও বলেন, ‘ইয়াবা একটা নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের মধ্যে কারও সাথে এমপি বদি কথা বলেছে, এ রকম কোনো তথ্য থাকলে প্রকাশ করেন।’

 

# ক্রসফায়ার আরও আগে হওয়া উচিত ছিল: এমপি বদি

২২ মে, ১৮ (বাংলা ট্রিবিউন)

বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ২০১৮ সালে মাদকবিরোধী অভিযানে ক্রসফায়ার নিয়ে বদি বলেন, ‘ক্রসফায়ার আরও আগে শুরু হওয়া উচিত ছিল। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। এ জন্য আমাদের সবারই সহযোগিতা করা প্রয়োজন। যুব সমাজকে বাঁচাতে এটা অপরিহার্য।’

 

# নিহত ‘ইয়াবা কারবারিদের’ মধ্যে এমপি বদির বেয়াই  

২৫ মে, ২০১৮ (বিডিনিউজ)

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে পুলিশ কক্সবাজারে সন্দেহভাজন দুই ইয়াবা কারবারির লাশ উদ্ধার করেছিল। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বেয়াই আক্তার কামাল।

 

# আমি অপরাধী হলে প্রমাণ থাকত: বদি

২৫ মে, ২০১৮ (সময়নিউজ)

সময় নিউজকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকার প্রথমেই তার নাম থাকা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বদি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে একটা প্রমাণ আজ পর্যন্ত কোনো মিডিয়া আনতে পারেনি। আমি যদি সত্যিই অপরাধী হতাম তাহলে এতদিনে অনেক প্রমাণ থাকত। আপনারা নিজে এসে আমার নির্বাচনী এলাকা উখিয়া ও টেকনাফে দেখে যান, মানুষজনকে জিজ্ঞাসা করে যান যে, আসলেই আমি মাদক ব্যবসায়ী কিনা।’

এমপি বদির বেশ কয়েকজন নিকটাত্মীয় ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন, এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে বদি বলেন, ‘ধরেন আপনার নাম জরিনা, আপনার নামে যদি কোনো খারাপ মেয়ে ব্যবসা করে এবং তার বদলে যদি আপনাকে দোষারোপ করা হয় তাহলে আপনার কেমন লাগবে? একই নাম মিলে যাওয়ায় এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।’

 

# বদি যখন গায়ক

মে, ২০১৮

২০১৮ সালের মাঝামাঝি আবদুর রহমান বদির নতুন পরিচয় সবার সামনে আসে। একটি অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ‘পর মানুষে দুঃখ দিলে দুঃখ মনে হয় না। আপন মানুষ দুঃখ দিলে মেনে নেওয়া যায় না।’ নামের একটি গান গেয়েছিলেন বদি।

 

 

# মাদকবিরোধী অভিযান হঠাৎ শুরু করিনি: প্রধানমন্ত্রী

৩০ মে, ২০১৮ (প্রথম আলো)

৩০ মে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে করা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন 'গডফাদার বলতে আপনারা কাকে কাকে গডফাদার বলছেন, আমি সেটা জানি না। এটুকু বলতে পারি, কে গডফাদার, কে কী সেটা কিন্তু আমরা বিচার করছি না। যারা এর সঙ্গে জড়িত, দীর্ঘদিন থেকে গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করেছে। যে কারা এর ভেতরে জড়িত। আমরা কিন্তু হঠাৎ করে যাইনি। যে-ই গডফাদার থাকুক, সে যে বাহিনীতেই থাকুক, কাউকে ছাড়া হচ্ছে না, হবে না। আমি যখন ধরি, ভালো করেই ধরি। ভালো করেই জানেন। কে কী, কার ভাই, কার চাচা, কার কে, ওটা কিন্তু দেখি না। এটা কিন্তু মাথায় রাইখেন।' 

 

# সৌদি আরব গেছেন সাংসদ আবদুর রহমান বদি

১ জুন, ২০১৮ (প্রথম আলো)

 

৩০ মে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর হুঁশিয়ারির পরদিনই ৩১ মে রাতের ফ্লাইটে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত অভিযুক্ত আবদুর রহমান বদি সৌদি আরব চলে যান। অনেকেই ধারণা করেন, মাদক বিরোধী অভিযান থেকে বাঁচতেই বদি সৌদি আরব চলে যান। এর কয়েকদিন আগে তার কয়েকজন আত্মীয়ও দেশ ছাড়েন সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে। অবশ্য বদির তরফ থেকে বলা হয়েছিল, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা ওমরাহ করতেই দেশ ছেড়েছেন।  

 

# মাদকের যথাযথ প্রমাণ পেলে বদিকেও ছাড়া হবে না: শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু

১৮ জুলাই, ২০১৮ (বিডিনিউজ)

কক্সবাজারের সাংসদ আব্দুর রহমান বদিকে ইঙ্গিত করে তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, মাদক সংশ্লিষ্টতার ‘যথাযথ প্রমাণ পেলে’ তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

# ইয়াবা তালিকায় আবার সাংসদ বদির নাম

২০ অক্টোবর, ২০১৮ (প্রথম আলো)

২০১৮ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা ইয়াবা ব্যবসায়ীদের হালনাগাদ তালিকায় কক্সবাজারের ৭৩ জন প্রভাবশালী ইয়াবা কারবারির (গডফাদার) নাম উঠে আসে। তালিকার শীর্ষে আগের কয়েকটি তালিকার মতো এতেও ছিলেন কক্সবাজার-৪ আসনের আওয়ামী লীগের বিতর্কিত সাংসদ আবদুর রহমান বদি। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আগের একাধিক তালিকার মতো এতেও সাংসদ বদির পাঁচ ভাই আবদুল শুক্কুর, আবদুল আমিন, মৌলভি মুজিবুর রহমান, মো. সফিক, মো. ফয়সাল, ভাগনে সাহেদুর রহমান নিপু (ওসি আবদুর রহমানের ছেলে), বেয়াই শাহেদ কামাল, ফুফাতো ভাই কামরুল হাসান রাসেলসহ ঘনিষ্ঠ আরও কয়েকজনের নাম ছিল।

 

# যারা ভোট দেবেন না তাদের তালিকা চান বদি!

৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ (প্রথম আলো)

আবদুর রহমান বদি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেলেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনে তার স্ত্রী মনোনয়ন পান। নির্বাচনী প্রচারণায় বদি তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ১০ বছর ধরে তিনি এলাকার দরিদ্র লোকজনকে সহায়তা করছেন। এরপরও যারা তার স্ত্রী শাহীন আক্তারকে ভোট দেবেন না, তাদের তালিকা তাকে দিতে হবে।

 

# ইয়াবার বিরুদ্ধে লড়ব: বদিকে পাশে রেখে বললেন স্ত্রী

৩ জানুয়ারি, ২০১৯ (বিডিনিউজ)

ছবি: বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর

 

জাতীয় নির্বাচনে সাংসদ নির্বাচিত হবার পর সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠানের পর স্বামী বদিকে পাশে রেখেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শাহীন আক্তার বলেন, ‘মাদক, ইয়াবা ব্যবসাসহ সকল ধরনের অপকর্ম বন্ধ করতে যা যা করণীয়, আমি তাই করব।’

 

# ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান বদির

১২ জানুয়ারি, ২০১৯ (প্রথম আলো)

তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানিয়ে সদ্য সাবেক হওয়া সাংসদ বদি বলেন, ‘ছেলেহারা মা-বাবা, স্বামীহারা স্ত্রী ও বাবাহারা সন্তানদের কথা চিন্তা করে আপনারা আত্মসমর্পণ করার জন্য প্রস্তুত থাকেন। সবাইকে মিলে টেকনাফের ইয়াবার বদনাম ঘোচাতে হবে। তালিকাভুক্ত ও তালিকার বাইরে যেসব ইয়াবা কারবারি আছেন, তাঁরা সবাই আত্মসমর্পণ করুন। এ ইয়াবা টেকনাফবাসীর জন্য অভিশাপ।’

 

# এবার আত্মসমর্পণের সমন্বয়ক বদি

২৩ জানুয়ারি, ২০১৯ (প্রথম আলো)

আত্মসমর্পণের আহ্বান জানিয়ে বদি নিজেই যেন হয়ে যান সমন্বয়ক। তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ আরও একবার অস্বীকার করে বলেন, ‘ইয়াবা সিন্ডিকেট মোটা টাকা ঢেলে প্রশাসনের বিভিন্ন তালিকায় অন্যায়ভাবে আমার নাম ঢুকিয়েছিল। আমি ইয়াবা ব্যবসা করি না। যাঁরা অপরাধী, তাঁরাই এখন আত্মসমর্পণ করবেন।’

বদির তিন ভাইসহ ১০ আত্মীয় পুলিশি হেফাজতে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভাই-বোন-ভাগনে যাদের নাম এসে পড়ছে, আমি বলছি তোমরা আইনের আশ্রয় নিয়ে যাও। জড়িত আছে কি নেই, সেটা এখন বলব না। আদালতে গিয়ে প্রমাণ করতে হবে। সবার সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিশ ধরে...বাড়ি দিলেই তো সত্য কথা বলবে।’

# টেকনাফকে ইয়াবামুক্ত করতে দোয়া চান বদি

২৬ জানুয়ারি, ২০১৯ (বাংলা ট্রিবিউন)

টেকনাফে আয়োজিত একটি দোয়া মাহফিল সভায় অতিথির বক্তব্যে আবদুর রহমান বদি বলেন, 'আজ আমরা শপথ নেবো টেকনাফকে ইয়াবামুক্ত করতে। আমি ইয়াবামুক্ত টেকনাফ করতে চায়। প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে চায়। তবে আমার পক্ষে একা সহযোগিতা করা সম্ভব নয়, তাই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চায়। আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন যাতে উখিয়া-টেকনাফকে ইয়াবামুক্ত করতে পারি।'

পুরো ভাষণটি শুনতে-

 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর, সময় নিউজ, প্রিয় ডট কম, জাগো নিউজ, সমকাল, বাংলা ট্রিবিউন, এনটিভি অনলাইন, বাংলাদেশ প্রতিদিন, পরিবর্তন ডট কম। 

৫৯৬৬ পঠিত ... ১৭:৫১, জানুয়ারি ২৪, ২০১৯

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

কৌতুক

রম্য

সঙবাদ

স্যাটায়ার


Top