মা-এর চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেসবুকিং করার পাঁচটি উপায়!

১৭৪৩ পঠিত ... ২২:৫৬, মে ১৪, ২০১৭

'সারাদিন ফেসবুকে কি করিস?' এই  বাক্যটি যেন মায়েদের ন্যাশনাল সংগীত। মায়ের কাছ থেকে এই প্রশ্ন শোনেনি এমন ছেলে-মেয়ে এই যুগে খুঁজে পাওয়া যাবে না। যে ছেলেটা বা মেয়েটা ফেসবুক ব্যবহার করে না সেও এই প্রশ্ন শুনেছে। কারন মোবাইল হাতে থাকলেই মায়েরা মনে করে নির্ঘাত ফেসবুক ব্যবহার করছে। এ এক বিরাট সমস্যা। চলো মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফেসবুক ব্যবহারের দশটি উপায় দেখি--

ক্ল্যাসিকাল পদ্ধতি : আগের জেনারেশন পাঠ্যবই এর ভেতর গল্পের বই রেখে পড়ত। মাসুদ রানা, তিন গোয়েন্দা তখন পাঠ্যবই এর পাতা ওল্টালেই পাওয়া যেত! তোমরাও এই ক্লাসিকাল মেথড প্রয়োগ করতে পারো। পাঠ্যবই এর ভেতর ফোন রেখে করা যায় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, পিডিএফ রিডিংসহ আরও অনেক কিছু।

কার্টুন: রাকীব

মাল্টি ট্যাব মেথড : এই পদ্ধতি বেশ আধুনিক। ল্যাপটপে দুইটা ট্যাব খুলতে হবে। একটায় থাকবে ফেসবুক আরেকটায় টেক্সটবুক। মা সামনে আসলেই চলে যাও টেক্সটবুকের ট্যাবে। বুঝিয়ে দাও তুমি কতটা মনোযোগী ছাত্র!

বাথরুম মেথড : মায়ের চোখ হল অনুবীক্ষণ যন্ত্রের মত। তাই ধরা পড়ে যাওয়ার আশংকা থেকেই যায়। তবে বাথরুমে তো আর কেউ যায় না। ল্যাপটপ, হেডফোন নিয়ে চলে যাও বাথরুমে। কমোডের ঢাকনা ফেলে বানিয়ে নাও চেয়ার!

কার্টুন: রাকীব

আত্মঘাতী পদ্ধতি : এই পদ্ধতি একদিকে আত্মঘাতী আবার অন্যদিকে উপকারী। মাকে শিখিয়ে দাও ফেসবুক কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। তার অ্যাকাউন্ট খুলে নামী দামী পত্রিকার পেজ লাইক করে দাও। বিভিন্ন রান্নার গ্রুপে এড করে দাও। নিউজ পড়ে আর রান্নার রেসিপি দেখেই তার দিন চলে যাবে। তবে হ্যা তোমার লিস্টে এড করার ব্যাপারে সাবধান। এজন্য নিজের ফেক আইডি ব্যাবহার করতে পারো। এই পদ্ধতির সব চেয়ে বড় ব্যাপার, তখন মাকেই বলতে পারবে, সারাদিন ফেসবুকে কি?!! 

বি.দ্র.: মা একটা কথা বলতেন, 'যত করবা চালাকি, পরে বুঝবা জ্বালা কি!' একটা কথা মনে রাখবা--মায়ের চোখকে ফাঁকি দেয়া মানে নিজেকেই ফাঁকি দেয়া।

কাঁথা মুড়ি মেথড : এটাও এক ধরনের প্রাচীন পদ্ধতি। কাঁথা দিয়ে মাথা ঢেকে নিলে নিজের একটা জগৎ তৈরি হয়ে যায়। এবার সেই জগতে মোবাইল নিয়ে চলে যেতে পারো ফেসবুকের দুনিয়ায়। তবে সাবধান!  মায়ের চোখ আর সিসি ক্যামেরা একই কথা। কাঁথার ভেতর বেশি নড়াচড়া করা যাবে না।

কার্টুন: রাকীব

১৭৪৩ পঠিত ... ২২:৫৬, মে ১৪, ২০১৭

Top