ঈদের পর অফিস কিংবা ক্লাসে গিয়ে যেসব বিষয়ে আলাপ করতে পারেন

২৭৪ পঠিত ... ২২:৩৯, জুন ০৯, ২০১৯

দীর্ঘ ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মক্ষেত্র ফিরতে শুরু করেছেন সবাই। কিন্তু কর্মক্ষেত্র কিংবা ক্লাসরুমে ফিরে সহকর্মী বা সহপাঠীদের সাথে কথা বলতে গিয়ে আবিষ্কার করছেন যে ‘কী অবস্থা? ঈদ কেমন গেল?’ এবং ‘এই তো মোটামুটি! আপনার?’ এর বাইরে তেমন কিছু বলার খুঁজে পাচ্ছেন না। এই সামান্য কথার পর শূন্য অফিসে ভর করছে রাজ্যের নিস্তব্ধতা। তাই eআরকি ভেবেছে এমন কিছু বিষয় যা দিয়ে আপনি এই সময়েও চালিয়ে নিতে পারবেন দুর্দান্ত আলাপ।

১# ক্রিকেট বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশের খেলা নিয়ে মেতে উঠুন ঘরোয়া বিশ্লেষণী আলাপচারিতায়। ফেসবুকে এমনিতেই প্রচুর ক্রিকেট বিশ্লেষক। খেলা নিয়ে কোন মতামত দিলে কিংবা দাবি দাওয়া জানালেই সেখানে ভিন্নমত নিয়ে ছুটে আসেন অসংখ্য বিশেষজ্ঞ। কিছু লিখেও শান্তি নেই। তাই বন্ধুদের সাথে ছুটি শেষে আলাপ জমাতে ‘আরে ভাই, রুবেলরে কেন যে নিল না!’ কিংবা ‘মুশফিকের রান আউট মিসের জন্যই আসলে আমরা হারছি!’ টাইপ আলোচনা শুরু করে দিতে পারেন।

২# আলোচনার জন্য বেছে নিতে পারেন চাঁদে দেখা কমিটির ‘লুকোচুরি লুকোচুরি গল্প’কেও। চাঁদ দেখা কমিটি বারবার তাদের কথা পাল্টানোয় আপনার যেসব বিপদে পড়তে হয়েছিল সেসবের কথা বলুন আপনার পাশের মানুষটির সাথে। ‘আমি তো সেহরির জন্য রান্নাই করে ফেলছিলাম। পরে ঈদের দিন সকালে সবাই ভাত খেয়ে নামাজে গেল! আপনি কী করলেন?’ কিংবা ‘তারাবী পড়ে এসে দেখি চাঁদ দেখা গেছে! কী যে একটা অবস্থা, বলেন!’ এই সব কথা বললে দেখবেন আর কথার অভাবে ভুগতে হচ্ছে না।

৩# কথা বলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ হতে পারে ঈদের দিনের বৃষ্টি। পাশের সহকর্মীকে বলুন ‘আরে ভাই, নামাজের জন্য বের হয়েই দেখি বৃষ্টি। আবার ফেরার পথেও বৃষ্টি। এক সকালে তিনবার গোসল করে ফেললাম! আপনাদের ঐদিকে কী অবস্থা ছিল?’ অথবা ‘আমাদের বাড়িত ঈদের সকালে বৃষ্টি হয় নাই। ঢাকায় নাকি সকালেই সব ভেসে গেছে! তোরা হ্যাংআউট করলি কীভাবে?’ এমন মন্তব্য ও প্রশ্ন আপনাকে এনে দিতে পারে সুন্দর একটি কথোপকথোনের সূচনা।

৪# আপনি ঢাকাবাসী হয়ে থাকলে তো কোন কথাই নেই। কথা বলার জন্য আছে সেই ক্লাসিক বিষয়, ‘ইশ ঢাকাটা যদি সবসময় এমন ফাঁকাই থাকত!’ যেহেতু মাত্র ছুটি শেষ হয়েছে, তাই খুব বেশি মানুষ এখনো ফিরে আসেনি ঢাকায়। ফলে ঢাকা এখনো ফাঁকা রয়ে গেছে। সেটি নিয়েই হা হুতাশ করতে থাকুন। দেখবেন তাল মেলানোর মানুষের কোন অভাব নেই।

৫# ঈদ কেন্দ্র করে দুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, দর্জি ও নাপিত। মেয়েরা দর্জি এবং ছেলেরা নাপিতের হাতে জিম্মি হয়ে যান ঈদের আগে। তাই ‘চার সেট জামা বানাতে দিছিলাম। কিন্তু চানরাতে বলে দুই সেট ঈদের পরে নিতে! মন চাইতেছিল কেস করে দেই!’ অথবা ‘বললাম, চুলটা সামান্য ছোট করতে! কিন্তু পরে দেখি চুলটা সামান্যই আর মাথায় আছে… ঈদের দিন এই কষ্টে বের হই নাই!’ এমনসব কথা বলেই আপনি ঈদের পরবর্তী বাক্য জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

২৭৪ পঠিত ... ২২:৩৯, জুন ০৯, ২০১৯

Top