হিলারির পরাজয়, ক্ষুদ্রঋণে সফল হলেও বৃহৎঋণে ব্যর্থ ডক্টর ইউনুস

১১৬৩৪৯পঠিত ...১২:০২, নভেম্বর ০৯, ২০১৬


ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে দেশের দারিদ্র বিমোচন করে শান্তিতে নোবেল পেলেও বৃহৎঋণ প্রকল্পে ব্যর্থ হয়ে গেছেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুস।


২০০৬ সালে নোবেল পুরষ্কার পাওয়ার পর দেশে বড় ধরণের বিপদে পড়ে যান এই অর্থনীতিবিদ। এক পর্যায়ে প্রাণ বাঁচাতে তিনি বিদেশে পাড়ি জমান। বিদেশে দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর নতুন চিন্তা আসে ডক্টর ইউনুসের মাথায়। তিনি ভাবেন, শুধু বাংলাদেশের গ্রামীন মহিলাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন করলে হবে না। আমেরিকাদের মহিলাদেরও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

তাই আবারও ঋণ দেবার পরিকল্পনা করেন তিনি। তবে এবার ক্ষুদ্রঋণ নয়, বৃহৎঋণ প্রকল্প চালু করার কথা ভাবেন ইউনুস। এক পর্যায়ে পেয়েও যান এক ঋণগ্রহিতাকে।

প্রথম ক্ষুদ্রঋণ নিয়েছিলেন জোবরা গ্রামের সুফিয়া। অন্যদিকে প্রথম বৃহৎঋণ নেন আমেরিকা নিবাসী হিলারী ক্লিনটন। অল্প সুদে দেয়া এই ঋণের শর্ত ছিল হিলারি এই টাকা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিজের প্রচারণায় ব্যয় করবেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে বছরে তিন পার্সেন্ট হারে এই ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন হিলারি।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল শুধু হিলারিকেই পরাজিত করেনি, পরাজিত করলো বৃহৎ ঋণ প্রকল্পের বিপুল সম্ভবনাকেও।

এ ব্যাপারে ডক্টর ইউনুসের মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, 'হিলারিকে বৃহৎঋণ দেয়াটাই ভুল হয়েছে। বিরাট লস হয়ে গেলো। একে স্বল্প সুদে তিন হাজার টাকা দিলেই বরং হতো।'

দীর্ঘশ্বাস ফেলে ইউনুস বলেন, 'এ দেশের নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন আর সম্ভব নয়।'

এ প্রসঙ্গে হিলারী ক্লিনটন বলেন, 'আমার যেন মৃত্যু হয় ইউনুস আসার আগে, ইউনুসের কাছে আমার অনেক ঋণ আছে।'

এদিকে বৃহৎঋণের ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতামত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,

'বাজে কিঙ্কিনী ঋনীঝিনি
কিঙ্কিনী ঋনীঝিনি
তোমাকে যে চিনি চিনি
মনে মনে কত ছবি এঁকেছি
আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি...।'

১১৬৩৪৯পঠিত ...১২:০২, নভেম্বর ০৯, ২০১৬

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
    আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

    আইডিয়া

    গল্প

    রম্য

    স্যাটায়ার

    Bikroy
    Bdjobs
    rokomari ad
    
    Top