'উড্ডয়নের পর চাকা খুলে গেলো প্লেনের' এই সংবাদ শিরোনামে উড্ডয়নের স্থলে উন্নয়ন পড়ুন

৭৮৪পঠিত ...২২:০৩, অক্টোবর ২৫, ২০১৭

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের সঙ্গে সঙ্গে খুলে পড়েছে বিমানের একটি চাকা। আজ বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় এ ঘটনা ঘটে। বিমানের পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিজি-৪৯৪ নামের ওই ফ্লাইটে ৬৬ জন যাত্রী, ২ জন কেবিন ক্রু, ১ জন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার এবং ২ জন পাইলট ছিলেন। আর যে চাকাটা খুলেছে, তা ছিল বিমানের পেছনের ৪ নম্বর চাকা। (সূত্র: প্রথম আলো)

এ সম্পর্কে বিমান বাংলাদেশের কারিগরি বিষয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘দেখেন, বিমান উড়তে পাখা লাগে পাখা। চাকা তো লাগে না! চাকা পড়ে যাওয়াটা তো কোনো সমস্যা হিসেবে আমি দেখছি না।’

কিন্তু চাকা ছাড়া বিমান ল্যান্ড করতে না পারলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা এবং অনেক মানুষের প্রাণহাণি ঘটতে পারতো, এটি জানানো হলে তিনি বলেন, ‘বিমানে তো প্যারাসুট আছে। অবতরণ না করতে পারলে প্যারাসুট দিয়ে নেমে যাওয়ার সুযোগ তো ছিলই, চাকায় যেমন সমস্যা ছিল, প্যারাসুটে কিন্তু কোনো সমস্যা খুঁজে পাবেন না, একটা প্যারাসুটেও ফুটা আছে এমন দেখাইতে পারলে বইলেন!’

তবে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রাচীন সভ্যতার ক্রমবিকাশের সময়কার অর্থাৎ চাকা যুগের একজন আদিম মানুষ ফেসবুকে নিজের কয়েক হাজার বছর পুরোনো ভ্যারিফায়েড পেজে জানান, ‘একসময় উড়ন্ত প্লেন থেকে চাকা খুলে পড়বে, এটা আগে জানলে আমরা চাকাই আবিষ্কার করতাম না। চাকা হলো উন্নয়নের প্রতীক, গতিশীলতার প্রতীক। চাকা আকাশে উড্ডয়নকালে ভূপাতিত হওয়ার জিনিস না।’

যেহেতু প্রাণের ক্ষয়ক্ষতি না হলে কোনো কিছু গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার নিয়ম নেই, বিমানটি ঢাকায় নিরাপদে অবতরণ করায় সেই নিয়মানুসারেই প্রশাসন ব্যাপারটি শুধু একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার মাধ্যমে সামলেছে। উড্ডয়নকালে যাই হোক না কেন, সেই সমস্যা নিয়ে ভেবে দেশের সার্বিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করা ঠিক নয়, এই নীতিটিই যেন অবলম্বন করা হয়েছে আলোচ্য ঘটনায়।

৭৮৪পঠিত ...২২:০৩, অক্টোবর ২৫, ২০১৭

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
    আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

    আইডিয়া

    গল্প

    রম্য

    সাক্ষাৎকারকি

    স্যাটায়ার

    
    Top