ছুটির সকাল শুরু হোক হাসি দিয়ে : ১৫টি মজার কৌতুক

২৫২২ পঠিত ... ০৩:২৩, মার্চ ০৮, ২০১৯

১#

ব্রাজিলের ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি পেলে পেরুতে এক খেলা শেষে তার জার্সিটি গ্যালারিতে দর্শকদের উদ্দেশে ছুড়ে মারেন। ঘটনাক্রমে একজন দর্শক জার্সিটির মালিকানা লাভ করেন।

কিছুদিন পরে পত্রিকার একটি বিজ্ঞাপন সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে: ‘ফুটবলের রাজা পেলের অতি সম্প্রতি ব্যবহৃত, দশ নম্বর জার্সিটি না-ধোয়া অবস্থায় বিক্রি হবে। উৎসাহীরা যোগাযোগ করুন।’

 

২#

শিল্পী : আমার এ চিত্রকর্মটি কেমন হয়েছে?
দর্শক : স্বাক্ষরটা অসাধারণ দিয়েছেন! 

 

৩#
আইরিশ কথাসাহিত্যিক জেমস জয়েস প্রথম যৌবনে একবার একটা ব্যাংকে ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন।

—ধূমপান কর?
—না।
—মদ্যপান কর?
—না।
—চরিত্র ঘটিত কোনো সমস্যা?
—না।
—বলো কী! তুমি যখন কিছুতেই নেই তা হলে তো নির্ঘাৎ ব্যাংক লুট করবে। 

 

৪#

: চিন্তায় পড়ে গেলাম; আমার বড় ছেলেটা মনে হচ্ছে কালার ব্লাইন্ড।
: ভাবনা কী? আজই একটা বর্ণ পরিচয় কিনে দিন না!

 

৫#
অধ্যাপক জীবনানন্দের জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে লেকচার দিচ্ছিলো। রাজুর সেদিকে মনোযোগ নেই। রাজু ক্লাসের পেছনে বসে গেম খেলছিল। অধ্যাপক বিরক্ত হয়ে রাজুকে বললো, আপনি মনে হয় জীবনানন্দের ব্যাপারে আমার থেকে বেশি জ্ঞান রাখেন। লেকচার তো শুনছেন না। এবার আমাদের নতুন কিছু বলুন।

রাজু দাঁড়িয়ে গম্ভীরভাবে বললো, তিনি আর ইহজগতে নেই।

 

৬#
বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হেনরি মোশের বিখ্যাত বিমূর্ত চিত্র ‘লা বে’র প্রদর্শনী চলছিল নিউইয়র্কের এক মিউজিয়ামে। ছেচল্লিশ দিন ধরে সবাই একবাক্যে প্রশংসা করছিল তাঁর ছবির। সাতচল্লিশতম দিনে শিল্পী নিজে এলেন দেখতে।

কিউরেটর ছুটে এল, আপনার ছবি দেখে সবাই উচ্ছ্বসিত।

হেনরি মোশে উদাস ভঙ্গিতে বললেন, ‘হবে হয়তো। কিন্তু ছবিটা কি শুরু থেকেই উল্টো ঝুলছে?’

 

৭#

বাবার কাছে জানতে চাইলো ছেলে, তুমি বেড়ে ওঠার সময় কোন মিউজিক পছন্দ করতে?

‘লেড জেপেলিনের খুব ভক্ত ছিলাম’, বাবা বললো।

Who?- ছেলে প্রশ্ন করলো

‘হ্যাঁ, এদেরও ভাল্লাগতো- বাবার জবাব।

 

 

৮#
দয়ালু এক বৃদ্ধ রাস্তার পাশে খোড়া এক লোককে বসে থাকতে দেখে। লোকটার বুকে একটা কাগজে লেখা- আমি খোড়া। কোনো কাজ করতে পারি না। দয়া করে সাহায্য করুন।

বৃদ্ধ খোড়া লোকটার কাছে যায়। বলে, সত্যি তোমার খুব কষ্ট। তবে অন্ধ লোকদের কষ্ট আরও বেশি।

লোকটা মুচকি হেসে বললো, আমি অন্ধ হয়ে ভিক্ষা করতাম তখন লোকে অচল পয়সা দিতো। তাই এই নতুন কায়দা করেছি।

 

৯#
ক্রেতা দুধওয়ালাকে-

: হা*ম*দা আর কখনো দুধে পানি মিশাবি না তো?
: না হুজুর কথা দিলাম।
: কসম খা।
: কসম খাইলাম হুজুর।
: আচ্ছা আজকের মতো ছেড়ে দিলাম।

(পরের দিন)

: ওরে হারা*জা* কথা দিয়েও তুই আবার দুধে পানি মিশিয়েছিস?
: হারাম এই কাজ করি নাই।
: তা হলে দুধ এত পাতলা কেন?
: আজ পানিতে দুধ মিশাইছি হুজুর!

 

১০#

রোগী: ডাক্তার, আমার দাঁত দুটি চুলতে কত খরচ লাগবে?
ডেন্টিস্ট: ১০ হাজার টাকা।
রোগী: কতক্ষণ লাগবে তুলতে?
ডেন্টিস্ট: ১০ মিনিট।
রোগী: ১০ মিনিটে ১০ হাজার টাকা! খুব ব্যয়বহুল হয়ে যায় না?
ডেন্টিস্ট: আপনি চাইলে আমি  ৪০ মিনিটেও করতে পারি।

 

১১#

: আমি ডাক্তারকে বললাম খেতে গিয়ে আমার দু জায়গায় পা ভেঙেছে।
: উনি কী বললেন?
: উনি বললেন ঐ দু জায়গায় যেন আর খেতে না যাই।

 

১২#

: ভিক্ষা করো কেন?
: নেশা করার জন্য
: নেশা করো কেন?
: ভিক্ষা করার উৎসাহ পাবার জন্য...

 

১৩#
এক লোকের একটা টিয়া আছে, কিন্তু সব সময় তার মালিক যা বলে তার বিপরীত কথা বলে। একদিন মালিক বলল,

—বাহ্‌ কী সুন্দর সকাল! টিয়া তা না বলে উল্টাপাল্টা কথা বলতে লাগল। তাই দেখে মালিকের মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। সে টিয়ার পা ধরে কিছুক্ষণ চরকির মতো ঘুরিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল দূরে। কিছুক্ষণ পর টিয়া কোনোমতে উঠে বসল। মালিক হুঙ্কার দিয়ে বলল—

—এবার বল যে সকালটা সুন্দর?

টিয়া বলল, ‘কী করে বলি, এত বড় ঘূর্ণিঝড় হয়ে গেল!’

 

১৪#
নেতা ভোটের আগে হেলিকপ্টারে করে গেলেন অজ পাড়াগাঁয়ে। যথারীতি তাকে ঘিরে প্রচুর গ্রামবাসী। নেতা আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে বললেন—

: বলো তোমাদের কী কী সমস্যা আছে?
: আমাদের প্রধান সমস্যা দুটি।
: আমি তো সেগুলো সমাধান করার জন্যেই এসেছি।
: গ্রামে একটাও ডাক্তার নেই। আসেও না।   

নেতা ফোন বের করে কানে লাগিয়ে কারো সাথে কথা বললেন। সব কথা না শোনা গেলেও এটা শোনা গেলো। ‘আমি কোনো কথা শুনতে চাই না, কাল থেকেই চাই’’

ফোন রেখে নেতা বললেন ,

: ডাক্তারের সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো। এবার দ্বিতীয় সমস্যা বলো।
: আমাদের গ্রামে কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক নাই।  

 

১৫#
ইংল্যান্ড দলের বিখ্যাত বাহাতি স্পিনার হেডলি ভেরিটি তখন দারুণ ফর্মে। তবু দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ক্যামেরন সেদিন তার এক ওভারে তিনটি চার এবং তিনটি চক্কা মেরে বসলেন।

ইংল্যান্ড দলের বিখ্যাত উইকেটরক্ষক আর্থার উড ভেরিটিকে বললেন, ‘সাবাস ভেরিটি! চালিয়ে যাও। ব্যাটসম্যানকে রীতিমতো দোটানায় ফেলে দিয়েছ তুমি।’

উডের কথার মানে বুঝতে না পেরে ভেরিটি বলল, ‘দোটানায় ফেলে দিয়েছি মানে?’

উড বললেন, ‘মানে তোমার বলে ও চার মারবে না ছক্কা মারবে তা স্থির করতে পারছে না।’

২৫২২ পঠিত ... ০৩:২৩, মার্চ ০৮, ২০১৯

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

আইডিয়া

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top