সেন্টমার্টিন বন্ধ হওয়ার পর দ্বীপের হোটেল বা স্থাপনাগুলো যে কাজে লাগানো যেতে পারে

৮৩৫ পঠিত ... ১৯:০৯, অক্টোবর ০৯, ২০১৮

১ মার্চের পর আর রাতে থাকা যাবে না সেন্টমার্টিন দ্বীপে। সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষায় নিয়ন্ত্রণ করা হবে সেন্টমার্টিনের পর্যটন, উচ্ছেদ করে দেয়া হবে সেন্টমার্টিনের সকল হোটেল-মোটেল এবং স্থাপনা। কিন্তু এই অগণিত হোটেল মোটেল তো আর পানিতে ফেলে দেয়া যায় না। এগুলোকে করতে হবে রিসাইক্লিং। কীভাবে কাজে লাগানো যায় এসব স্থাপনা? ১ মার্চের আগেই সেন্টমার্টিন ট্যুরের প্ল্যান করতে করতে তা নিয়ে ভাবতে বসেছিল eআরকির সেন্টমার্টিন গবেষক দল!

১. বিসিএস কোচিং সেন্টার হিসেবে
সামনেই ৪০ তম বিসিএস। এখন লাগবে প্রচুর কোচিং সেন্টার। হোটেল গুলো বা স্থাপনা গুলো ঢাকায় এনে বিসিএস কোচিং সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। কিংবা বিসিএসের কোচিং সেন্টার হিসেবে তা চলতে পারে সেন্টমার্টিনেই। পর্যটন নিয়ন্ত্রিত হবে বলা হয়েছে, কোচিং তো আর নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে না!

২. বাংলার টাইটানিক নির্মাণ
সকল হোটেল এক সাথে জোড়া লাগিয়ে বানানো যায় টাইটানিকের মত বড় কোন জাহাজ। এতে করে মানুষ সেন্টমার্টিন বাদ দিয়ে ওই জাহাজ দেখতে আসবে, সমুদ্রসৈকতে ভিড় না করে ভিড় করবে সরাসরি সমুদ্রযানে!

৩. সিনেমা হল
যেহেতু রাতের সেন্টমার্টিন মানুষ আর দেখতে পারবে না, তাই সমস্ত হোটেল জড়ো করে বানানো যায় বিরাট এক সিনেপ্লেক্স। যেখানে দেখানো হবে রাতের সেন্টমার্টিনের ভিডিও।

৪. ভাসমান হোটল
সেন্টমার্টিন যতই বন্ধ হোক আর ডুবেই যাক, ঘুষ-টুশ দিয়ে মানুষ ঠিকই ঢুকে যাবে দ্বীপে। তাই দ্বীপ থেকে উচ্ছেদ করা হলেও হোটেল-মোটেলগুলোতে মোটর লাগিয়ে ভাসমান হোটেল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তবে মিয়ানমার সেইসব ভাসমান হোটেলকে নিজেদের বলে দাবি করবে কিনা, সে ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না।

৫. ভাসমান দ্বীপ
হোটেল এবং স্থাপনাগুলোকে জড়ো করে নতুন একটি কৃত্রিম দ্বীপ হিসেবে বানানো যায়। সেন্ট মার্টিনের পাশেই ভাসমান দ্বীপটি রাখলে পর্যটকেরা সেখানে গিয়ে দুধের সাধ ঘোলে মেটাতে পারবেন।

৬. ডাস্টবিন হিসেবে
স্থাপনাগুলো ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। বৃহৎ আকারের ডাস্টবিন তৈরির কারনে গিনেজ বুকে আমাদের নাম উঠে যেতে পারে, একই সাথে মানুষও নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে উদবুদ্ধ হবে।

৭. সেন্টমার্টিন সেতু
হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট সব জোড়া লাগিয়ে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন ব্রিজ বানানো যেতে পারে। এতে করে সেন্টমার্টিনে দিয়ে গিয়ে দিনে ব্যাক করা সম্ভব, ব্রিজেও দেয়া সম্ভব মনোরম রাইড। আর পদ্মা সেতু নির্মাণ হয়ে যাওয়ার পর ভবিষ্যতে মানুষজনকে উন্নতির প্রতীক হিসেবে দেখানোর জন্য নতুন ব্রিজও তো দরকার, নাকি! সে ক্ষেত্রে সেন্টমার্টিন ব্রিজের ছবি ভিডিও আমরা ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও দেখতে পাবো!

৮. 'আবাসিক সমুদ্র-গবেষণা কেন্দ্র'
হোটেলগুলোতে আবাসন সুবিধা রেখে শুধু নাম বদলে 'আবাসিক সমুদ্র গবেষণা কেন্দ্র' করে ফেললে হোটেল-মোটেল উচ্ছেদ কার্যক্রমে পার পেয়ে যাওয়ার একটা সুযোগ থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে কচ্ছপও মরলো, হোটেলও ভাঙলো না!

৮৩৫ পঠিত ... ১৯:০৯, অক্টোবর ০৯, ২০১৮

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

কৌতুক

গল্প

রম্য

সঙবাদ

সাক্ষাৎকারকি

স্যাটায়ার


Top