ঐ ভক্তকে খুশি করতে সাকিব যা করতে পারতেন

১৭২৯পঠিত ...২১:০৩, আগস্ট ০৮, ২০১৮

গত ৭ আগস্ট সকালের দিকে একটি ভিডিও ভাইরাল হতে থাকে ফেসবুকে এবং আবারও প্রসঙ্গে সাকিব আল হাসান। ভিডিওতে দেখে যায় ফ্লোরিডার হোটেল লবিতে এক ভক্তের দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তেড়ে যান সাকিব। ভিডিওটিতে কোন স্পষ্ট কথা শোনা যাচ্ছিল না, তাই বুঝে না বুঝে গুজবের এই রমরমা বাজারে প্রচুর মানুষ ফেসবুকে বিভিন্ন বর্ণনায় ভিডিওটি শেয়ার করতে থাকে।

কিন্তু সেখানে থাকা বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া যায় ঘটনার আসল চিত্র। ম্যাচ শেষে এমনিতেই যথেষ্ট ক্লান্ত ছিলেন খেলোয়াড়রা। প্রচুর প্রবাসী ভক্ত সমর্থককে খুশি করতে সেলফি, অটোগ্রাফের আবদার মিটিয়ে যখন টাইগারবাহিনী হোটেলে ফিরছেন তখন হোটেলের লবিতে সাকিবের কাছে বারবার অটোগ্রাফ চাচ্ছিলেন ঐ ভক্ত। অটোগ্রাফের পর সেলফিও তুলেন। এরপরেও তার চাহিদা পূরণ না হওয়ায় তিনি সাকিবের কাছে ভিডিওর আবদার জানান। ক্লান্ত সাকিব সে ব্যাপারে আগ্রহী না হয়ে ফিরে যাবার সময়, সেই ভক্ত বলে ফেলেন ‘ভাব মারায়!’। যা শুনে স্বভাবতই মানুষ সাকিব আল হাসান রেগে যান এবং আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান সেই ভক্তের দিকে।

সাকিবের মত অত বড় একজন তারকার উচিত ছিল ঐ পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রাখার, এমনটা মনে করছেন সবাই। তবুও রক্তমাংসের মানুষ সাকিব পারেননি নিজেকে ঐ মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণ করতে। তবে অনেকের ঢালাও প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, কিছুতেই সাকিবের প্রতি খুশি হতে পারছেন না তারা। অবশ্য বিশ্বের এক নাম্বার অলরাউন্ডারের ভাব না থাকলে ভাবটা কার থাকবে, সে বিষয়ে চিন্তিত eআরকি। তাই eআরকি ভেবে বের করেছে ঐ মুহূর্তে কী করা উচিত ছিল সাকিব আল হাসানের? দেখে নিন, কী করলে সাকিবের ভাব দেখানো হতো না, আবার আপামর ভক্তকুলও খুশি হতে পারতেন!


১# সাকিবের উচিত ছিল সেই ভক্তকে লবিতে বসিয়ে, অনলাইনে ফুলের তোড়া অর্ডার করে এনে বরণ করে নেওয়া! 

 

২# এই প্রবাসী ভক্তকে দেশে ফিরলে নিজের রেস্টুরেন্টে সস্ত্রীক যাওয়ার দাওয়াত দিতে পারতেন। একসাথে বসে ডিনারটা সেরে ফেলতে পারতেন। 

 

৩# এই ভক্তের সাথে নিজের মোবাইলে সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড করতে পারতেন। পোস্টে ভক্তকে ট্যাগ করা থাকত। তাতে ঐ ভক্ত পেয়ে যেতেন সাকিবের মতই অসংখ্য ফ্রেন্ড ফলোয়ার।

৪# আর সবার মত ওবায়েদুল কাদেরের অনুপ্রেরণায় সাকিব তার ভক্তের সাথে চ্যালেঞ্জিং জীবনের চ্যালেঞ্জিং টাইমস ছবি তুলতে পারতেন।

৫# সাকিব আল হাসান নিজে অমন মাথা গরম না করে, থার্ড আম্পায়ার কল করতে পারতেন। পরে থার্ড আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে ভক্তের সাথে আচরণ করতে পারতেন।


৬# ভক্তের যেহেতু ভিডিও করার এত শখ, সাকিবের উচিত ছিল তার সাথে একটা সিনেমায় অভিনয় করা। ‘ফাইট ক্লাব’ এর মত কোন একটি সিনেমায় সাকিব আর তার ভক্তের জীবনের নানান টানাপোড়েন ফুটে উঠতে পারত।

১৭২৯পঠিত ...২১:০৩, আগস্ট ০৮, ২০১৮

আরও eআরকি

পাঠকের মন্তব্য

 

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
    আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

    কৌতুক

    গল্প

    সঙবাদ

    সাক্ষাৎকারকি

    স্যাটায়ার

    evolution22
    
    Top