যেভাবে একটি পারিবারিক মোকদ্দমায় আমি ন্যায়বিচার পেলাম না

১৫১৮পঠিত ...০২:০০, মে ২৯, ২০১৮

সকালে ঘুম ভাঙতেই দেখি বাসায় গেস্ট! ব্যস, তাতেই আমার সারাদিনের ল বিগড়ে গেলো!

দুপুরে গেস্টকে easement right হিসেবে আমার রুমে একটু ঘুমাতে দিলাম। এরপর শুনি, অতিথি নাকি রাতে আমার রুমেই ঘুমাবে। আমাকে রুমচ্যুত করে সে adverse possession নিয়ে নিয়েছে।

বিষয়টার সমাধানের জন্য high court-এ (মায়ের কাছে) গেলাম। মা বললো, 'আরো আগে বলো নাই কেন? তোমার period of limitation শেষ।' মনে পড়ে গেলো ইকুইটির সেই ম্যাক্সিম: Law does not aid who sleeps over their right.

অলংকরণ: সামির

আপিল করতে গেলাম বাবার কাছে। বাবা সকাল থেকে আমার পক্ষে ছিল, এবার পল্টি নিয়ে চলে গেলো মায়ের পক্ষে। শেষ পর্যন্ত বাবাও hostile witness হয়ে গেল! বললো, 'এগুলা তোমার মা জানে, আমার jurisdiction নেই। আমি কিছু বললে সেটা হবে ultra vires.'

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনার জন্য মাকে আবার review petition দিলে মা বলল, আজকে থাক। কালকে দেখা যাবে।

এই কথা শুনে মনে পড়ে গেলো হিন্দি দামিনি মুভিতে আদালতে দেয়া সানি দেওলের সেই ডায়লগ- তারিখ পে তারিখ তারিখ পে তারিখ মিলতি রাহি হ্যায়, লেকিন ইনসাফ নেহি মিলা!

পরের দিন review শুনানি শুরু হবার আগেই possession ফিরে পেলাম। গেস্ট চলে গেল। যাওয়ার সময় আমাকে ৫০০ টাকাও দিয়ে গেল। মা বললো, 'তুমি ছোট মানুষ, আমাকে দাও। যত্ন করে রাখি। যখন লাগে নিয়ে যেও।’ যদিও আমি major হয়ে গেছি তবু in good faith, মায়ের হাতে টাকা তুলে দিয়েই ধরাটা খেয়ে গেলাম। এরপর যখনই টাকা চাই, মা আর দেয় না। কোন eye witness না থাকায় টাকার উপর ownershipটাও আর প্রমাণ করা গেলো না।

একজন ল এর ছাত্রী হয়েও আমি এমন পারিবারিক injustice সম্পর্কে কোনো আইনের বইয়ে কোনো প্রকার ল খুঁজে পেলাম না! 

লেখা: অপরাজিতা দেবনাথ

১৫১৮পঠিত ...০২:০০, মে ২৯, ২০১৮

আরও

পাঠকের মন্তব্য

 

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
    আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।

    আইডিয়া

    গল্প

    সঙবাদ

    সাক্ষাৎকারকি

    স্যাটায়ার

    
    Top